আইন ও বিচার বিভাগ সচিব
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:২৭ পিএম
ই–পারিবারিক আদালত দেশে বিচারপ্রার্থী মানুষের দুর্ভোগ কমানোর একটি বড় পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা। তিনি বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর এ আদালতে মামলার আবেদন থেকে প্রতিদিনের কার্যক্রম—সবই অনলাইনে সম্পন্ন হবে, থাকবে না কোনো কাগজের ব্যবহার। বিচারপ্রার্থীদের মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে সবকিছু জানিয়ে দেওয়া হবে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ই–পারিবারিক আদালত চট্টগ্রামের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা বলেন, চট্টগ্রামের এ পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে আইনি সেবা দেওয়ার নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। ডিজিটাল প্রযুক্তির পাশাপাশি ম্যানুয়ালি কার্যক্রমও থাকবে, তবে ই–পারিবারিক আদালতে নথি হারানোর শঙ্কা কম থাকবে। বিচারপ্রার্থীদের যে কোনো মামলার নথি অল্প সময়ের মধ্যে বের করা সম্ভব হবে, পাশাপাশি হয়রানিও অনেকাংশে কমবে।
তিনি বলেন, ই–পারিবারিক আদালতে বিচারপ্রার্থীদের মামলার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি ও অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে বিচারকার্য স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত হবে।
সচিব আরও বলেন, যেকোনো স্থান থেকেই বাদী ও বিবাদীরা অনলাইনে হাজিরা দিতে পারবেন। নিজস্ব পোর্টালে আইনজীবীর পরিচালিত সব নথি একসঙ্গে থাকার ফলে ব্যবস্থাপনা হবে সহজ। এছাড়া যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো সময়ে লগইন করে নথির কাজ খসড়া করে রাখতে পারবেন আইনজীবীরা। নথি জমা দেওয়া, কপি তোলা ও বারবার একই তথ্য প্রস্তুতের কাজ কমবে।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার বলেন, এটি পেপারলেস আদালত। বিচারকার্যকে দ্রুত, স্বচ্ছ ও ঝামেলামুক্ত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ই–পারিবারিক আদালত চালু হওয়ায় পারিবারিক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হবে,বছরের পর বছর আদালতে ঘুরতে হবে না।
জানা যায়, ওয়েবসাইটটি ব্যবহারের জন্য প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রার বাটনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। এর পর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, পুরো নাম, মোবাইল নম্বর ও ই–মেইল যুক্ত করতে হবে এবং সঙ্গে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিতে হবে।