শেরপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:২৬ পিএম
আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ২০:০৪ পিএম
বগুড়ার শেরপুরে জাল টাকা লেনদেনের অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে র্যাব-১২। গত শনিবার উপজেলার মির্জাপুর পশ্চিম খলিফাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক হাজার টাকার ১৫৭টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে আটকদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আটকরা হলেনÑ নাটোরের সিংড়া উপজেলার নায়েব আলী ও এনামুল হক এবং রাজশাহীর তানোর উপজেলার রফিকুল ইসলাম।
র্যাব জানায়, মির্জাপুর পশ্চিম খলিফাপাড়ার যুবক ফারুক হোসেন তার ফেসবুক আইডিতে কিছু পাথরের ছবি পোস্ট করে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন। ওই পোস্ট দেখে জাল টাকার একটি চক্র পাথর কেনার কথা বলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং এলাকায় এসে অবস্থান নেয়। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব বিষয়টি জানতে পারে।
পরবর্তী সময়ে র্যাব-১২ শেরপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওই এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ফারুক হোসেনের বাড়ির দুটি রুম ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
র্যাব-১২-এর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার শফি কামাল জানান, তল্লাশিকালে নায়েব আলীর পকেট থেকে ১০০টি, রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে ৩০টি এবং এনামুল হকের পকেট থেকে ২৭টি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাদের কাছ থেকে তিনটি ছোট পাথর, কিছু নগদ টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় জাল টাকা সরবরাহ করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। তারা সংঘবদ্ধভাবে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে জাল টাকা ছাড়ানোর চেষ্টা করতেন বলেও র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ সময় জব্দ তালিকা প্রস্তুত শেষে আটকদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে শেরপুর থানায় সোপর্দ করা হয়।
শেরপুর থানার ওসি মঈনুদ্দীন বলেন, আটকদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। জাল টাকার চক্রটির অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।