ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ২০:০২ পিএম
আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ২০:১৪ পিএম
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্বাচনী প্রচারণাকালে পাবনা-৪ আসনের (ঈশ্বরদী-পাবনা) জামায়াত প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জামায়াত সমর্থকরা। এ সময় তারা নানারকম স্লোগান দিয়ে সমাবেশ করেছেন।
শনিবার
(২৯ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ব্যানারে এ বিক্ষোভ
মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। পৌর শহরের রেলগেট থেকে শুরু করে শহরের প্রধান
প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলহাজ মোড় এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ
বিক্ষোভ মিছিলের সমাপ্তি ঘটে। মিছিলে নেতাকর্মীদের তীব্র প্রতিবাদী কণ্ঠের স্লোগান
দিয়ে এ ঘটনার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো
হয়েছে। ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ড. নুরুজ্জামান প্রামানিকের
সভাপতিত্বে এ প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা তালিমুল কুরআন একাডেমির
সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম রাব্বানী জোবায়ের এবং পৌর
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মাওলানা গোলাম আজম খান।
বক্তব্যে
তারা বলেন, বিএনপির হাবিব বাহিনীর সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে অধ্যাপক আবু তালেব
মন্ডল ও জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। তারা আমাদের নেতাকে
হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছে। আমাদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছে
এবং মোটরসাইকেল ভাংচুর, আগুন ও লুট করে তারা। তারা গুলি চালিয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে
অপপ্রচার করছে। জামায়াতে ইসলামী একটি আদর্শের দল, আমরা অস্ত্রের রাজনীতি করি না।
তাই বলছি, মিথ্যা অপপ্রচার করে কোনো লাভ হবে না বরং আমাদের গর্জিয়ে তুলছে। এ ঘটনায়
জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি প্রশাসনকে।
বিক্ষোভ
মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর অফিস সাধারণ সম্পাদক মারুফ
মোহাম্মদ আহসানুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়ব
আলী মন্ডল, আইন বিষয়ক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান, প্রচার ও মিডিয়া
সেক্রেটারি মাসুদ রানা মাসুম, পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আল আমিন,
উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সজিব হাসান ও সেক্রেটারি তারিকুজ্জামান তানিম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়ন আলহাজ মোড় এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাংচুর, গুলি ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের ৫০-৬০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।