গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২০:২৬ পিএম
আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২৫ ২১:১৮ পিএম
গোপালগঞ্জ-২ আসনে দলীয় মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে শোডাউন করেছে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত তিন প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের গেটপাড়া সড়ক ভবনের সামনে থেকে মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ মিছিল নিয়ে এ শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়।
মনোনয়নবঞ্চিত পাঁচ প্রার্থীর ব্যানারে শোডাউনে অংশ নেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএইচ খান মঞ্জু, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান তাজ। পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল, ২৫-৩০টি মাইক্রোবাস এবং কয়েকটি ট্রাক এ শোডাউনে অংশ নেয়।
এর আগে ৩ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেন। তখন গোপালগঞ্জ-২ আসন থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. কেএম বাবর আলীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে ২৪ দিন পর এসে মনোনয়নবঞ্চিত ৫ প্রার্থীর ব্যানারে শোডাউন করে তিন প্রার্থী দলীয় সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। অন্য দুই প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এফই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার মিছিলে উপস্থিত না থাকলেও মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার পক্ষে বলে জানা গেছে।
শোডাউনে অংশ নিয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএইচ খান মঞ্জু বলেন, ‘আমরা ৫ জন প্রার্থী একত্রিত হয়ে তারেক রহমানের কাছে আবেদন করছিÑ গোপালগঞ্জ-২ আসনের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করা হোক। ডা. বাবর জনবিচ্ছিন্ন ও অজনপ্রিয় প্রার্থী। তার পক্ষে ধানের শীষের বিজয় আনা সম্ভব নয়। আমাদের পাঁচজনের মধ্যে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।
সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, আমাদের রক্ত ও ত্যাগের ভিত্তিতেই গোপালগঞ্জে বিএনপি টিকে আছে। অথচ যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তার নামে একটি মামলাও নেই। কিন্তু আমরা বছরের পর বছর ঘরছাড়া হয়ে দিন কাটিয়েছি। মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে পাঁচজনের মধ্যে যাকে দেওয়া হবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।
আরেক প্রার্থী তৌহিদুর রহমান তাজ বলেন, গোপালগঞ্জ-২ আসনে আমরা ছয়জন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। ঘোষিত প্রার্থী তালিকা এখনও চূড়ান্ত নয়; বিভিন্ন জেলায় পরিবর্তন ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। যার নাম ঘোষিত হয়েছে তাকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের হতাশা তৈরি হয়েছে। ওই প্রার্থী বাদে অন্য যেকোনো প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলে গোপালগঞ্জে জাতীয়তাবাদী ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।