এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা
মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ২১:০৮ পিএম
কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে এবার এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
মেডিকেল কলেজ সূত্র জানায়, প্রায় ১৩ বছর আগে একাডেমি ক্লাস চালুর পর থেকে এখানে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র চালু ছিল। এতে কিশোরগঞ্জসহ বৃহত্তর হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা সহজ যাতায়াতের মাধ্যমে সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারতেন। শুরুতে মেডিকেল কলেজে তেমন কোনো অবকাঠামো ছিল না। তারপরও পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন সারা দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু হঠাৎই এখানে কেন্দ্র না থাকার ঘোষণা আসায় মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন।
পরীক্ষার্থীদের এখন ঢাকা, ময়মনসিংহ বা অন্য কোনো স্থানে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এতে এদের সময় ও অর্থের অপচয় হবে। প্রতি বছর প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী এ কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। কেন্দ্র নেই, এটি জানাজানি হওয়াতে সবার মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সঞ্চার হয়েছে।
পরীক্ষার্থীর অভিভাবক সুমাইয়া বেগমসহ একাধিক অভিভাবক বলেন, ভেবেছিলাম পরীক্ষার্থীরা কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলে তাদের জন্য সবকিছুই সহজ হতো। এখন ঢাকা বা ময়মনসিংহ গিয়ে পরীক্ষা দিতে সময়, অর্থসহ তারা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন।
সচেতন নাগরিক কমিটি শিক্ষা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল গণি বলেন, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র হঠাৎ বাতিল করার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পারলে ভালো হতো। কেন্দ্র বাতিল করা ঠিক হয়নি। কেন্দ্র বহাল রাখার জন্য ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মজিবুর রহমানকে পাওয়া যায়নি। উপাধ্যক্ষ ড. একরাম আহসান জুয়েল বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় কেন্দ্র থাকলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো হতো। কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাই আপাতত আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছু বলার নেই।