× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কিশোরগঞ্জ-৩

ড. ওসমান ফারুকের প্রার্থিতায় দ্বন্দ্ব ভুলে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

মধ্যাঞ্চলীয় অফিস

প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৫ ২১:৩২ পিএম

ড. ওসমান ফারুকের প্রার্থিতায় দ্বন্দ্ব ভুলে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপি প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। প্রার্থী নেতা, কর্মী, সমর্থকদের মধ্যে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলেও কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে ড. এম ওসমান ফারুকের বিষয়ে সবাই ঐকমত্য। এমনকি যারা এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন তারাও ওসমান ফারুকের মনোনয়নে উচ্ছ্বাস ও আনন্দ প্রকাশ করছেন। 

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনটিতে শুরু থেকেই মনোনয়ন দৌড়ে ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ জজকোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা এবং যুববিষয়ক সম্পাদক ও করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন। তারা মনোনয়ন না পেলেও বর্ষীয়ান নেতা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের পক্ষে সমর্থন দিয়ে দিয়েছেন। 

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য কর্নেল (অব.) অধ্যাপক ডা. জেহাদ খানের নাম ঘোষণা করেছেন। 

এ ছাড়া এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হচ্ছেন জেলা সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসাইন তালুকদার, খেলাফত মজলিস থেকে প্রভাষক আতাউর রহমান শাহান এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক।

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এখানে আধিপত্য ধরে রেখেছিলেন। টানা চারটি (২০০৮-২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। তবে তার বিরুদ্ধে রাতের ভোট, ভোট ডাকাতি ও বিনা ভোটে এমপি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অতীতের নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৭৩ সালে এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের এমএ কুদ্দুস, ১৯৭৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এম ও গণি, ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ড. মিজানুল হক ও ২০০১ সালে বিএনপির ড. এম ওসমান ফারুক। এরপর থেকেই আওয়ামী লীগের ছাড়ে এই আসনে জাতীয় পার্টির দখল অটুট ছিল। এ ছাড়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপির কবির উদ্দিন আহমেদ জয়লাভ করেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৬৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১২ হাজার ২০০, নারী ভোটার ২ লাখ ১ হাজার ৪৫০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।

জামায়াতের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অধ্যাপক ডা. জেহাদ খান বলেন, ‘আমার প্রতিশ্রুতি হলো নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প, মাদক নির্মূল ও মানসম্মত শিক্ষার ব্যবস্থা। জনগণ যদি সমর্থন দেয়, আমি সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।’

ড. এম ওসমান ফারুক বলেন, অতীতে রাজনীতি করতে গিয়ে আমি সাধারণ জনগণের সেবা করেছি। শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন আমি এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে উন্নয়ন করেছি তা সর্বজনস্বীকৃত। আমি মনোনয়ন পাওয়ায় তাড়াইল করিমগঞ্জের মানুষের মধ্যে যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখেছি, তাতে আমি অভিভূত ও আনন্দিত। নির্বাচনে তারাই আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ। 

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, স্যারের (ড. ওসমান ফারুক) বেলায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। 

জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির মোহাম্মদ রমজান আলী বলেন, ডা. জেহাদ খান একজন ভালো মানুষ ও গরিবের বন্ধু হিসেবে পরিচিত। তাই তার বিজয় হবে বলে আমি মনে করি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা