রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:১৩ পিএম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সারাদেশের ৪০ শতাংশ মাছের চাহিদা পূরণ করে রাজশাহীর ৬০০ মৎস্য চাষি। মাছ চাষিদের যে সকল সমস্যা রয়েছে তা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। নিরাপদ মাছের ফিড ও ওষুধ সরবরাহ করতে বাজারে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। নিরাপদ ফিড ও ওষুধ না পেলে যে মাছটা চাষ হবে সেটা মানুষ খেলে তাতে তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হবে। আমরা চাই না, এমন ফিড বাজারে আসুক। এক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো হবে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ইন্টারন্যাশনাল ফিশারিজ সামিট অ্যান্ড এক্সপো-২০২৫ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাবির মৎস্য অনুষদ। এ সময় মৎস্য ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারীদের পদক প্রদান করা হয়।
মাছ রপ্তানির ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, মাছ উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে উৎপাদিত চিংড়িজাতীয় ৯০ হাজার টন মাছ রপ্তানি হয়েছে। তবে কার্প জাতীয় মাছ তেমন রপ্তানি হচ্ছে না। এটাকে বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাছ চাষের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, কৃষি জমি রক্ষার জন্য ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতিমালার করেছে সরকার। সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই বলা হয়েছে মাছ চাষকেও কৃষিকাজ হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। তবে, যেখানে ধান চাষ হয় বা খাদ্য উৎপাদন হয় সেখানে পুকুর না করাই ভালো; যে জমিতে খাদ্য উৎপাদন করা যাচ্ছে না সেখানে যেন মাছ চাষ করা হয়।
মৎস্য চাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রা বাড়ছে, কাজেই আমাদের শিখতে হবে মাছকে কীভাবে শীতল পরিবেশে রাখতে হবে। আমাদের কাছে এখন অনেক আধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে।