নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৫৬ পিএম
আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৫ ০০:০৭ এএম
বরিশালের বাবুগঞ্জে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে তর্কের জেরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ছুরিকাঘাতে ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর উপজেলার আগরপুর হালিমা মান্নান হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ তথ্য জানিয়েছেন বাবুগঞ্জের আগরপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই দেলোয়ার হোসেন।
নিহত রবিউল ইসলাম (৩০) আগরপুর গ্রামের হাওলাদার বাড়ির মিজানুর রহমান হাওলাদার দুলালের ছেলে ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি।
আগরপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করছিলো। এ সময় মিষ্টি খাওয়ানো নিয়ে নিজেদের মধ্যে তর্ক হয়। এর জেরে রবিউলকে ছুরিকাঘাত করে। আহত রবিউলকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষণায় ছাত্রদলের কয়েকজন মিষ্টি বিতরণ করেন। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে রবিউলকে কুপিয়ে জখম করা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর রবিউলের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষণা হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করছিলেন। এ সময় জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. আউয়াল হোসেন, মো. রাসেল এবং মো. শাকিলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আউয়াল ধারালো ছুরি দিয়ে রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক পলাশ দাবি করেন, তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটার আয়োজন করা হয়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দলের কোন পদ পদবি না থাকা আউয়াল, আমির খান, ফিরোজ চকিদার, এমদাদুল, শাহিন ফরাজী, শাকিলসহ ১০ জন হামলা করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রবিউলকে কুপিয়েছে। এতে রবিউলের মৃত্যু হয়েছে।