প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:৫১ পিএম
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ঘিরে ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলার ২৮টি স্থানে তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা সত্ত্বেও রাজধানীতে বাসে অগ্নিসংযোগকালে জনতার ধাওয়া খেয়ে তুরাগ নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের নাম সাইয়াফ (১৮) ও গ্রেপ্তাকৃত অপরজন রুদ্র মোহাম্মদ নাহিয়ান আমির সানি (১৮)। এ ঘটনায় আরেকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মিরপুরের শাহ আলী থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর নবাবেরবাগ সোহেল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের পশ্চিম পাশে রাস্তায় পার্ক করে রাখা একটি বাসে প্লাস্টিকের বোতলে কেরোসিন ছিটিয়ে অগ্নিসংযোগ করে কয়েক যুবক। সে সময় তারা মোবাইল ফোনে এই দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করছিল।
বিষয়টি আশপাশের লোকজনের নজরে এলে তারা দুষ্কৃতকারীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।এ সময় তাদের একজন ভয়ে নিকটবর্তী তুরাগ নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং আরেকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সাঁতার না জানায় নদীতে ঝাঁপ দেওয়া দুষ্কৃতকারী ডুবে যায়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, বাসে আগুন লাগিয়ে পালানোর সময় জনগণের ধাওয়ায় একজন তুরাগ নদীতে পড়ে ডুবে যায়। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তখন এলাকাবাসী তাদের হাতে আটক দুষ্কৃতিকারীকে সোপর্দ করেন। নাশকতামূলক এ ঘটনায় পলাতক অপর দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেপ্তা যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।