বাঘা (রাজশাহী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৫ ২১:১৪ পিএম
দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কাঁকন বাহিনীকে ধরতে রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার চরে অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। এ সময় ১৩ জনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। পুলিশ এ অভিযানের নাম দিয়েছে অপারেশন ফার্স্ট লাইট।
রবিবার (৯ নভেম্বর) ভোর রাত থেকে শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে এ অভিযান। এতে পুলিশ, র্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং কোস্টগার্ডের ১২শ’ সদস্য অংশ নেন।
আটককৃতরা হলেন- আশরাফপুর গ্রামের মৃত সুলতান প্রামানিকের ছেলে মো. কামরুজ্জামান (৩৮), চৌমাদিয়া গ্রামের মৃত হাবু দেওয়ানের ছেলে কবির উদ্দিন, চৌমাদিয়া গ্রামের মৃত হাবু দেওয়ানের ছেলে খবির উদ্দিন,কালিদাসখালি গ্রামের মোসা. মনোয়ারা খাতুন (৫০), মোসা. মনিয়ম খাতুন (৪২), তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৩৫),খানপুর গ্রামের মো. জমসেদ প্রামানিকের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (৩৭), চক রাজাপুর গ্রামের বকসু মন্ডলের ছেলে মো. আলম ইসলাম (১৮),খানপুর বাজার সংলগ্ন এলাকার সাহাব উদ্দিন কাজীর ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম (৩০), দৌলতপুর থানাধীন তালবাড়ীয়া গ্রামের মৃত এলাজ মন্ডলের ছেলে মো. বাচ্চু মন্ডল (৩৯), চৌমাদিয়া গ্রামের দুখাই দেওয়ানের ছেলে আওলাদ হোসেন,পলাশী ফতেপুর গ্রামের মো. আদু মোল্লার ছেলে মো. মিজানুর রহমান (২৬)
পুলিশ জানায়, অভিযানে ওয়ান শুটারগান ৩টি, ২০ বোতল ফেন্সিডিল, ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ২০ লিটার চোলাইমদ ও ৫টি মোটরসাইকেল।
গত ২৭ অক্টোবর রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বিপরীতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চর দখল নিয়ে কাকন বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালায়। এতে আমান ও নামজুল নামের দুইজন নিহত ও মুনতজ ও রাকিব নামের দুজন আহত হন। পরদিন নদীতে লিটন সরকার নামের আরও একজনের লাশ ভেসে ওঠে, যিনি কাকন বাহিনীর সদস্য বলে ধারণা করা হয়।