নরসিংদী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৫ ২২:১৫ পিএম
নরসিংদীতে খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার জেরে ফের বিবদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার মাধবদী থানার চরাঞ্চল চরদীঘলদী ইউনিয়নের জিতরামপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকালে মাইকে ঘোষণার পর দুই দফায় এ সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এর আগে গত ৩ নভেম্বর ও ৪ নভেম্বর দুপক্ষের ২ দফা সংঘর্ষের পর হতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল বলে জানান মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। গতকাল ভোরে পুলিশ না থাকার ফাঁকে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ পৌঁছার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান ওসি।
আহতদের মধ্যে কয়েকজন হলেন, জিতরামপুর গ্রামের দুলাল (৫০) ও রুবেল মিয়া, খায়রুল (৩৭), খালেক মিয়া (৬০) ও জাকির (৩০) ও জাকির (৪৮)। এদের মধ্যে খায়রুলকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চরদীঘলদী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড জিতরামপুরে খেয়াঘাটে ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় ও আধিপত্য বিস্তার করা নিয়ে স্থানীয় শহিদ মিয়া মেম্বার ও চাঁন মিয়া গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত সোম ও মঙ্গলবার দুপক্ষের সংঘর্ষে আট জন আহত হওয়ার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। গতকাল সকালে পুলিশ না থাকার সুযোগে জিরতরামপুরে উত্তরপাড়া মাদ্রাসার মাইকে ঘোষণা দিয়ে ফের টেঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুপক্ষের লোকজন। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়।
মাধবদী থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, ভোরে শহিদ মেম্বারের লোকজন চাঁন মিয়ার লোকদের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষে বেধে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।