চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ২২:২৮ পিএম
ভারতে পাচারকালে সোনার বার আত্মসাতের ঘটনায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে অপহৃত পাঁচজনকে ২৪ দিন পর যশোরের ঝিকরগাছা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও পুলিশ সুপারের বিশেষ টিম যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিন বিকালে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এ্যান্ড অবস) জামাল আল নাসের। তিনি জানান, জীবননগরের গোয়ালপাড়া (মাঠপাড়া) গ্রামের হাজারী মন্ডলের ছেলে মো. শওকত আলী গত ২১ অক্টোবর থানায় দায়ের করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন সোনা চোরাচালান ও আত্মসাৎকে কেন্দ্র করে গত ১২ ও ১৩ অক্টোবর তার ছেলেসহ আরও কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় আব্দুল মজিদ (৪০), মো. মিজানুর রহমান রুবেল (৩০), লালন মন্ডল (৪২), মো. আব্দুস সামাদ (৪৫), মো. বিপ্লব হোসেন (৫০) ও মো. শাহীনের (৩২) নাম উল্লেখসহ আরও ৩–৪ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়।
অপহৃতরা হলেন- মো. শফিকুল ইসলাম (৩৫), মো. আনারুল ইসলাম (৫০), মো. হাসান মিয়া (২৬), মো. আবুল হোসেন (২৭) ও মো. স্বপন ইসলাম (৪৪)।
পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলার নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের ও সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীরের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। যশোরের ঝিকরগাছার হাজিরবাগ ইউনিয়নের কুল্লা গ্রামের রেজাউল ইসলামের খামারবাড়ি থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে খামারের মালিক রেজাউল ইসলাম ও সহযোগী আব্দুল গফ্ফার পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে বিল্লাল হোসেন, সাগরিকা খাতুন ও বিকাশ দেবনাথকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপহৃতদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানোসহ শফিকুল ইসলামের চারটি আঙুল কেটে ফেলা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।