খুলনা অফিস
প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৫০ পিএম
জেলার আড়ংঘাটা থানার ৬ নম্বর যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন শেখের ওপর বোমা ও গুলি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তি নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত মামুন শেখকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (২ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে ফুলবাড়িগেট এলাকার কুয়েটের পকেটগেট সংলগ্ন খানাবাড়ি এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ইমদাদুল হক (৫৫)। তিনি মামুন শেখের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ৯টার দিকে দুটি মোটরসাইকেলযোগে মুখোশধারী কয়েকজন দুর্বৃত্ত মামুন শেখের অফিসের সামনে এসে বোমা নিক্ষেপ করে। হামলাকারীরা পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ মামুন শেখ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠায়।
খবর পেয়ে আড়ংঘাটা থানা পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌছান। ঘটনাস্থল থেকে একটি অবিস্ফোরিত বোমা ও তিন রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শেখ খায়রুল বাশার বলেন, হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরেই এই হামলা হতে পারে।
ঘটনার পর খান জাহান আলী থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের যোগীপোল ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন শেখকে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে গুলি করেছে। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হতে পারে।
যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর শওকত হোসেন হিট্টু বলেন, ঘটনার সময় আমি ফুলবাড়িগেটে ছিলাম। শুনেছি, মামুন ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।
হামলার পর ফুলবাড়িগেট, খানাবাড়ি ও কুয়েট সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।