ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:২৬ পিএম
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৬০ বস্তা ভারতীয় ফুসকাসহ ৪ জনকে আটক করেছে নৌ থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৬০ বস্তা ফুসকাসহ তাদের আটক করা হয় ও বিপুল পরিমাণের জিলেট ব্লেড জব্দ করা হয়।
অভিযানে আটককৃতরা হলোÑ উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের খলাপড়া গ্রামের মৃত রমজান মিয়ার ছেলে (সুকানী) ইসমাইল মুন্সী (৩৭), মৃত দানিছ মিয়ার ছেলে (মিস্ত্রি) রাকিব মিয়া (১৯), মৃত আব্দুল হানিফ মিয়ার ছেলে সোহাগ (৩৫) ও মৃত নুর ইসলামের ছেলে নিজাম (৫৫)।
নৌ থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩১ অক্টোবর শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ প্রান্তে লঞ্চঘাটে ডিউটি পালনকালে আশুগঞ্জের দুর্গাপুরের মা-মণি ইটভাটাসংলগ্ন মেঘনা নদীর পাড়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে নৌ থানা পুলিশ সদস্যরা। এ সময় সিলেটের সুনামগঞ্জ থেকে আসা ‘এম বি কদর’ নামে নৌ পরিবহন সিগন্যাল দিলে মেঘনা নদীর আশুগঞ্জ পাড়ে নৌকা রেখে চোরাচালানকারীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় নৌ থানা পুলিশ ৪ জনকে আটক করে ও দুইজন কৌশলে পালিয়ে যায়। আটকের পর ৬০টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তার ভেতরে ভারতীয় ফুসকা ও জিলেট ব্লেড পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে নৌ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় পণ্যসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় আরও দুইজন পালিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধকৃত ফুসকা সংগ্রহের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মালামাল বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। আটককৃতরা ভারতীয় পণ্যের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ চক্র দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ পণ্য ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় অবৈধ পণ্য সংগ্রহ করে ভৈরব, আশুগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে আসছে। আটককৃতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ ০১ নভেম্বর আশুগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।