চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হয়। এদিকে নির্বাচন স্থগিতের ঘটনায় তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করেন সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ। নগরীর র্যাডিসন ব্লু বে-ভিউতে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তারা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করার দাবি জানান।
আগামী শনিবার (১ নভেম্বর) চট্টগ্রাম চেম্বারের ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর এক ব্যবসায়ীর করা রিটের প্রেক্ষিতে ট্রেড গ্রুপ এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশনের দুই শ্রেণিকে বাদ রেখে নির্বাচন পরিচালনার আদেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত।
চেম্বারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর এক ব্যবসায়ীর করা রিটের প্রেক্ষিতে দুই শ্রেণিকে বাদ রেখে নির্বাচন পরিচালনার আদেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। সেই আদেশের পর ২২ অক্টোবর আপিল করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আপিল শুনানির পর এবার নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দেওয়া হলো। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের প্যানেল লিডার এস এম নুরুল হক বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে অবৈধ টাউন ও ট্রেড এসোসিয়েটের ছয়জনের প্রার্থীতা বাতিল করে কাঙ্খিত নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কারণ সাধারণ ব্যবসায়ীরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তাই দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এর বিলম্ব হলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে পড়বেন। তিনি বলেন, আমরা মনে করি এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত। এ সময় তিনি কেন ট্রেড গ্রুপ এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশেনকে বাতিল করা হয়েছে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।
এস এম নুরুল হক আরও বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস কার্যালয় সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ অবলম্বন না করে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে আসছে। যা অ্যাটর্নি জেনারেলের কাজ নয়।
সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম ব্যবসায়ী পরিষদের আহ্বায়ক শাজাহান মহিউদ্দিন বলেন, গত ১৫ বছর চেম্বার একটি পরিবারের দখলে ছিল। সেখান থেকে বের হয়ে এখন যখন ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল, এখন আরেকটি গ্রুপ সেটি থামিয়ে দিয়ে আবারও আগের মতো ভোটবিহীনভাবে চেম্বারের দখল নিতে চাইছে।