রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ১৫:১৯ পিএম
খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, এবার আমন ফলন ভালো হবে। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে খাদ্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে। চাল সংগ্রহে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। দায়িত্বে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকের উৎপাদন খরচ ও লাভ হিসেব করে সকলে মিলে আমন ক্রয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজশাহী সার্কিট হাউজে বিভাগের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং আসন্ন সৌমুমে আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, কৃষকদের স্বার্থে সরকার কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এই আমন সংগ্রহ কিভাবে সফল করা যায় এনিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধা অসুবিধা জানা হয়েছে। বর্তামন সরকার খাদ্যশস্যের মূল্য যেভাবে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে তা আগমীতেও থাকবে।
দেশে খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক উল্লেখ করে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি পযর্ন্ত ক্ষমতায় আছে। এ পর্যন্ত যে পরমাণ খাদ্য মজুত থাকা উচিত, অতীত যা ছিল তার চাইতে বেশি থাকবে। কিছু চাল আমদানি করা লাগবে। তবে তা অন্যন্যবারের তুলনায় কম। আমন মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টন চাল আমদানি করা লাগবে।
খাদ্য বিভাগ আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের অন্তর্গত ৮ জন জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকবৃন্দ।
সভায় আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়নসহ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সফল করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচান করা হয়। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনিদের্শনামূলক বক্তব্য রাখেন।