প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ২১:১৫ পিএম
আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ২১:২২ পিএম
‘দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল’ স্লোগান সামনে রেখে কক্সবাজারে ঘোড়ার জন্য সুষম খাদ্য বিতরণ ও অসুস্থ ঘোড়ার চিকিৎসা করেছে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ঘোড়াসহ অভুক্ত প্রাণীর পাশে দাঁড়ায় সংগঠনটি। দেশের প্রাণীকূল নিয়ে কাজ করা এই সংগঠনটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) কক্সবাজারের
কলাতলীসহ সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ঘোড়ার জন্য সুষম খাদ্য বিতরণ ও অসুস্থ ঘোড়াদের
চিকিৎসা করে একটি প্রতিনিধিদল। সেবামূলক এ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার
অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সমন্বয়কারী ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন।
প্রাণীর কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে
কাজ করে আসছে সংগঠনটি। আহত প্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য বিতরণ এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধে
টিকাদান কর্মসূচি পালন করে আসছে। এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সংস্থাটি এবার সেন্টমার্টিন
দ্বীপ ও কক্সবাজারে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।
জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা.
আতিকুর রহমান মিঠু, ডা. সাখওয়াত হোসেন (প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা) ও ডা. মাহবুবুর
রহমানের (ভেটেরিনারি সার্জন) সমন্বয়ে গঠিত ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কক্সবাজারে প্রায়
৫০টি অসুস্থ ঘোড়ার টিকিৎসা দেয়।
এছাড়া শুক্রবার ও শনিবার কক্সবাজারে
পরিত্যক্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার চিকিৎসা এবং সুষম খাদ্য প্রদান করবে সংগঠনটি। এই কার্যক্রমে
একটি বিশেষজ্ঞ প্রাণিচিকিৎসক দলও অংশ নেয়।
অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের
আহবায়ক আদনান আজাদ জানান, প্রথম ধাপ এক সপ্তাহ চললেও সরকারি অনুমতি পেলে কার্যক্রমটি
আরও বিস্তৃত করা হবে।
কক্সবাজারের কলাতলীসহ সমুদ্র সৈকতের
বিভিন্ন স্থানে ঘোড়ার জন্য সুষম খাদ্য বিতরণ ও অসুস্থ ঘোড়ার চিকিৎসাকালে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের আহবায়ক আদনান আজাদ, সদস্য ইমরান রাশেদ সিমান্ত সরকার, তৌফিক সিতু, শুভব্রত
সরকার, মিজানুর রহমান তাসিব ও ফয়সাল বিন আজম।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মহিউদ্দিন
মাহিন, শামীম মিয়া, মোহাম্মদ ফরিদ ও মশিউর রহমান মহান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২২ অক্টোবর)
সেন্টমার্টিন দ্বীপে গিয়ে অভুক্ত কুকুরদের জন্য সুষম খাদ্য বিতরণ করে সংগঠনটি।
পরিবেশ সংরক্ষণে সর্বোচ্চ সতর্কতা
বজায় রেখে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সংগঠনের সদস্যরা আশাবাদী, এই উদ্যোগ দেশের
মানুষকে প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধে অনুপ্রাণিত করবে।