রংপুর অফিস
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ২০:২২ পিএম
বিসিআইসি সার ডিলারদের কমিশন ও সারের বরাদ্দ বৃদ্ধি না করে সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫ তৈরির প্রতিবাদে রংপুর অবস্থান ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেনÑ রংপুর ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুস সালাম বেলাল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান, কার্যকরী সদস্য মুক্তাদির হোসেন লিটন প্রমুখ।
এ সময় নেতারা জানান, সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় সার বিপণনকারীদের মতামত না নিয়ে সার ডিলার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে, যা আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন নীতিমালায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ জন করে ডিলার থাকবে এবং প্রত্যেক ডিলারের তিনটি সেলস সেন্টার ও গুদাম থাকতে হবে। এমন অবস্থায় সার সরবরাহ ও কমিশন বৃদ্ধি না করে নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। পরে জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সালকে একটি স্মারকলিপি দেন তারা।
এদিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে খুচরা সার বিক্রেতারা। গতকাল সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন বিক্রেতারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সার বিপণনের বিদ্যমান ২০০৯ সালের নীতিমালা পরিবর্তন করে নতুন সার নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন নীতিমালায় খুচরা সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সারা দেশের ৪৪ হাজারের বেশি খুচরা সার বিক্রেতাকে বিপদের মুখে ফেলবে।
খুচরা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, শৈলকুপা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইদুর আলম বাদশা বলেন, ‘খুচরা বিক্রেতারা কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নতুন নীতিমালায় যদি তাদের বাদ দেওয়া হয়, তাহলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং বিপুলসংখ্যক বিক্রেতা বেকার হয়ে পড়বে।’
সংগঠনের সভাপতি বাবুল আক্তার বলেন, ‘বর্তমানে কৃষকদের কাছে খুচরা বিক্রেতাদের কোটি কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। যদি তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়, তাহলে তারা শুধু বেকারই হবেন না, আর্থিকভাবেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’