পীরগঞ্জ (রংপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৫ ১০:৪২ এএম
ছবি: সংগৃহীত
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স উপসর্গের ছয়জন রোগী পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঁচজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে গত রবিবার অপরজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।
পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, সর্বশেষ অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গে আক্রান্ত এসব রোগীর বাড়ি উপজেলার দাঁড়িয়াপুরে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ চারজন, নারী একজন। তাঁরা শরীরের বিভিন্ন অংশে ঘা নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে উপজেলার চেরাগপুর গ্রামের শমসের আলীর ছেলে সাদেক আলী ৪ অক্টোবর অসুস্থ গরু জবাই করে চেরাগপুর গ্রামের ১৮টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করে। এছাড়াও ১১ অক্টোবর দ্বারিয়াপুরের টুটুল মিয়া বয়স্ক গরু জবাই করে দ্বারিয়াপুর গ্রামবাসীর মাঝে বিতরণ করে। তিনি আশংকা প্রকাশ করে জানান, ওই ২টি গ্রামে রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।
আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় টুটুল মিয়ার একটি গাভী অসুস্থ হলে গত ১১ অক্টোবর জবাই করে গ্রামবাসীর মধ্যে বিতরণ করা হয়। এরপর ১২ অক্টোবর মাংস কাটাকাটির সঙ্গে যাঁরা জড়িত ছিলেন তাঁদের শরীরে ঘা দেখা দেয়।
অসুস্থ শিল্পি, মামুন ও খোরশেদ জানান অসুস্থ গরু জবাই করার পর ৮-৯ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের উপসর্গ দেখা দেয়। তবে তাঁরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাননি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন।