জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ২২:০৯ পিএম
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ২২:১৪ পিএম
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শিবগঞ্জ-বেগমপুর সড়কের সংস্কার কাজ গত ১০ বছরেও শেষ হয়নি। সর্বশেষ গত বছরের অক্টোবর মাসে সড়কের দুই কিলোমিটার অংশে সংস্কার কাজ শুরু হলেও আংশিক কাজ করে কাজ ফেলে চলে যায় ঠিকাদার। সংস্কার কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কের একাংশ এখন কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। ফলে দুর্ভোগে উপজেলার লাখো মানুষ।
সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ-বেগমপুর পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার অংশ ২০০৫ সালে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দে একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে সড়কের কাজ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে উপজেলার পাইলগাঁও, আশারকান্দি ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের একাংশের মানুষের যাতায়াতে প্রসার ঘটে।
তবে ২০১৪ সাল থেকে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে ২০১৬ সালে সড়কের ১১ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে কাজ শুরু হয়। যৎসামান্য কাজ করে ঠিকাদার পালিয়ে যায়। এরমধ্যে ২০২২ সালের বন্যায় সড়কটি বিধ্বস্ত হয়। সম্প্রতি সড়কের কাতিয়া গ্রামের পূর্ব হতে ফেচিরবাজারের পশ্চিম অংশ পর্যন্ত সড়কটি কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নজুমদ্দীন বলেন, কুশিয়ারার ভাঙন থেকে সড়কটি রক্ষা করতে এলাকাবাসীর পক্ষে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করেছি।
জগন্নাথপুরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সবুজ কুমার শীল বলেন, কুশিয়ারা নদী ভাঙনের রোধে ওই এলাকায় আমাদের একটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে আরও ভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রকল্প অনুমোদন করে টেন্ডার করা হয়েছে, শিগগিরই কাজ শুরু হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন বলেন, সড়কটির সংস্কার কাজ নিয়ে ঠিকাদারদের ভূমিকায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে। সড়কের শিবগঞ্জ থেকে বিএন উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত সংস্কারে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে নতুন আবেদন করা হয়েছে। এবং নদী ভাঙনের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড দেখছেন।