চাকসু নির্বাচন
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:১২ পিএম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ১৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হয়। এখন ফলাফলের অপেক্ষা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোট গণনা করা হবে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে, যা সরাসরি এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শন করা হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপন করা হয়েছে ১৪টি এলইডি স্ক্রিন।
নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও আইটি সেলের প্রধান অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী জানান, ব্যালট প্রস্তুত ও গণনা সম্পন্ন করতে সময় লাগবে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। তার মতে, সাড়ে ৬টার আগে ব্যালট রেডি হবে না। এরপর থেকে গণনা শুরু হলে রাতভর কাজ চলবে, ফলে ফলাফল জানা যাবে প্রায় পরদিন সকাল নাগাদ।
দিনভর শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হলেও বিকেলে বিবিএ ফ্যাকাল্টিতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকাল সোয়া ৪টার দিকে সেখানে অবস্থান নেয় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় এলাকাজুড়ে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
ভোট শেষ হওয়ার পর বিকালে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় ইনসেনিয়াত বিপ্লবের প্রার্থীরা। তারা বিকাল ৪টা ৩৫ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
নির্বাচনে বড় কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটলেও অমোচনীয় কালি ব্যবহারে ত্রুটি ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। আইটি ভবন কেন্দ্রে এ সংক্রান্ত অনিয়মের খবর দেন শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী ইব্রাহিম রনি। তিনি বলেন, আমাদের এজেন্ট জানিয়েছে, ২১৪ নম্বর রুমে ১৫–২০টি ব্যালটপেপার স্বাক্ষর ছাড়াই বাক্সে ফেলা হয়েছে।
অমোচনীয় কালি নিয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের প্রার্থীরাও অভিযোগ করেন যে আঙুলের কালি কিছু সময় পরেই মুছে যাচ্ছে, যা ভোটের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। তবে বাংলাদেশে এর চেয়ে ভালো কালি পাওয়া যায়নি। বিদেশ থেকে আনতে হলে সময় লাগত। কালি মুছে গেলেও কেউ দ্বিতীয়বার ভোট দিতে পারবে না, কারণ তিন ধাপে ভোটার যাচাই করা হচ্ছে।