× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ড্রাগন চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সরাইলের সুমন

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৪৮ পিএম

হাবিবুর রহমান সুমনের ড্রাগন ফলের বাগান। প্রবা ফটো

হাবিবুর রহমান সুমনের ড্রাগন ফলের বাগান। প্রবা ফটো

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের নোঁয়াগাও ইউনিয়নের বুড্ডা গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান সুমন। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফল চাষের যাত্রা শুরু করেন তিনি। তিতাস নদীর পাড়ে ৩ একর জমি লিজ নিয়ে রোপণ করেছেন ৬ হাজার ড্রাগন ফলের চারা। আগষ্ট মাস পর্যন্ত তিন লাখ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন তিতাস এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সুমন। এছাড়া ড্রাগনের চারা বিকি করেও আয় করেন তিনি। ড্রাগন চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এই উদ্যেক্তা।

হাবিবুর রহমান সুমন জানিয়েছেন, প্রথমে তিনি চট্রগ্রাম, মৌলভীবাজার ও যশোর থেকে ড্রাগনের চারা কিনে এনে রোপণ করেন। চারা প্রতি তার খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ২০০ টাকা। এই বাগানে লাল রঙের চারার পাশাপাশি অল্পসংখ্যক গোলাপি, সাদা রঙের গাছ  রয়েছে। ড্রাগন গাছে রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়না। অতিবৃষ্টিতে ড্রাগনের ফুল নষ্ট হয়ে যায় আর শীতকালে রাতে আলোর ব্যবস্থা করতে হয়। মাঝে মাঝে ড্রাগন ফল ও গাছে ছত্রাকের আক্রমণে স্পট দেখা দেয়। এসব প্রতিরোধে কৃষি অফিসের লোকজনের পরামর্শ নিয়ে থাকেন সুমন।

তিনি আরও জানান, বাগান পরিচর্যায় সহযোগীদের নিয়ে দিন-রাত বাগানেই শ্রম দিচ্ছেন। ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন ড্রাগন। তবে চলতি বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় ফলন অন্য বছরের তুলনায় এবার ফলন কম হয়েছে।  আগষ্ট মাস পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ টাকার ড্রাগন বিক্রি করেছেন সুমন। এছাড়া ড্রাগণের চারা বিক্রি করেও আয় করেন। আর একবার রোপণ করা গাছ থেকে টানা ২৫ থেকে ৩০ বছর ফল পাওয়া যায়। বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফল চাষাবাদের পর থেকে লাভবান হচ্ছেন তিনি। সুমন এখন স্বপ্ন দেখছেন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার।  

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. একরাম হোসেন জানান, ছত্রাকের আক্রমণ প্রতিরোধসহ নানা বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে জৈবসার তৈরির জন্য বার্মিং কম্পোস্ট, মিনি পাওয়ার টিলারসহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি দেয়া হয়েছে। বার্মিং কম্পোস্টের মাধ্যমে উৎপাদিত জৈবসার ড্রাগন বাগানের চাহিদা পূরণ করে অনত্রে বিক্রি করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, উপজেলায় একমাত্র বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগণ চাষ হচ্ছে বুড্ডা তিতাস এগ্রো ফার্মে। আমি একাধিক বার গিয়েছি,বাগানটি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে আসছি।

এদিকে, হাবিবুর রহমান ড্রাগন বাগানটি ঘুরে দেখার জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজনের আগমন ঘটে। পরিবারের সদস্যদের নিয়েও ঘুরতে আসেন অনেকে। বাগানে এসে ছবিও তোলেন। বাগানে ঘুরতে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও বিটিভির তালিকাভূক্ত গীতিকার মোসলেম উদ্দিন সাগর বলেন, বাগানটির কথা অনেকদিন ধরে শুনছি, আজ ঘুরতে এসে খুব ভালো লেগেছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা