নারায়ণগঞ্জ অফিস
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৫ ১৭:৩৮ পিএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৫ ১৭:৪২ পিএম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আদালত মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া, ভিডিও শেয়ার করা ও চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী সোহেলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার মূল হোতা সরকারি সফর আলী কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা নিতে আড়াইহাজার থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনকে নির্দেশ দিয়েছেন। বাদীর অভিযোগ, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাদের ধরছে না।
এর আগে এ ব্যাপারে আড়াইহাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করলে রহস্যজনক কারণে ওসি অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি। তাই ভুক্তভোগী আদালতে মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে মামলা না নেওয়ার ব্যাপারে ওসি কোনো কথা বলতে নারাজ।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে থানায় মামলাটি রেকর্ড করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন। এর আগে ২ অক্টোবর সোহেলের ভাই আ. মোমেন মিয়া বাদী হয়ে ছাত্রদল নেতা খোরশেদসহ ৭ জনের নামে থানায় অভিযোগ দিলে রহস্য জনক কারনে ওসি মামলাটি থানায় মামলা হিসাবে রেকর্ড করেনি।
সোহেলের ভাই মোমেন মিয়া অভিযোগ করেন, ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ও শিবপুর গ্রামের রিপনের বাড়ির নিকটবর্তী রাস্তায় মাদক ব্যবসা, মাদকপান নিষেধ করা এবং মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও শেয়ারের ক্ষিপ্ত হয়ে খোরশেদের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে পিস্তল, দা, লোহার রড ও লাঠিসহ হামলা চালিয়ে সোহেলকে গুরুতর আহত করে। হামলায় ব্যবসায়ী সোহেলের মুখে কোপ লেগে দুটি দাঁত ভেঙে যায় এবং মুখ ও হাতে গুরুতর জখম হয়। বৈদ্যুতিক শর্টে তার ডান হাত স্থায়ীভাবে অবশ হয়ে যায়। বর্তমানে সোহেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেনÑ ওই গ্রামের হোসেনের ছেলে রোমান (২২), ফজলুল হকের ছেলে রিফাত (২২), মৃত হাছেনের ছেলে মো. আলামিন (৩০), আবদুলের ছেলে মো. আতিক (২০), মৃত চান্দুর ছেলে মো. মজিবুর (৫০), মৃত জায়েদ আলীর ছেলে মো. ফজলুল হক (৪৫)। এছাড়া অজ্ঞাত ৭/৮ জনকেও আসামি করা হয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ওসি খন্দকার নাসির জানান, মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।