আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৫:১২ পিএম
আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৫:১৬ পিএম
প্রবা ফটো
ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় আয়েশা গার্মেন্টস নামে একটি তৈরী পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জামগড়া এলাকার ফ্যান্টাসি কিংডমের বিপরীত পাশে ওই পোশাক কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (বেলা আড়াইটা) আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কারখানাটি পলমল গ্রুপের মালিকানাধীন বলে জানা গেছে।
এদিকে
আগুন লাগার পর কারখানার আশেপাশে অনেক লোকজন জড়ো হওয়ার কারণে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড
সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে
কাজ করতে দেখা গেছে।
কারখানাটির
শ্রমিকরা জানান, দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ
ধোঁয়া ও আগুন দেখা গেলে শ্রমিকরা চিৎকার করে সতর্ক করেন। সঙ্গে সঙ্গে পুরো ভবনে
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কারখানার গেট খুলে শ্রমিকদের নিরাপদে বের করে আনা হয়।
ফায়ার
সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুনের খবর
পাওয়া যায় ১২টা ১৯ মিনিটে। এরপর ১২টা ৩৮ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট
ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।
জিরাবো
ফায়ার স্টেশনের ডিউটি অফিসার সবুজ ইসলাম বলেন, আয়েশা গার্মেন্টসের আগুন নিয়ন্ত্রণে জিরাবো ফায়ার
স্টেশনের ছয়টি ও ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। বাইরে থেকে আগুন
নিয়ন্ত্রণে এলেও ভেতরে আগুন জ্বলছে এবং ধোঁয়ার কারণে ভেতরে প্রবেশ করা যাচ্ছে না।
এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে
জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা।
এদিকে
ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার জানান, তাদের স্টেশন থেকেও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন
নেভানোর চেষ্টা করছে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের আরও
তিনটি ইউনিট যুক্ত হয়।
ফায়ার
সার্ভিসের জোন-৪ এর উপপরিচালক আলাউদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত ডিইপিজেড ও জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের মোট ৯টি
ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুনের সূত্রপাতের কারণ
তদন্ত করে পরে জানানো হবে।
স্থানীয়দের
আশঙ্কা,
কারখানার মজুত কাপড় ও তৈরি পোশাকের কারণে আগুন দ্রুত
ছড়িয়ে পড়েছে। তবে দ্রুত শ্রমিকদের সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।