× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চট্টগ্রামের আড়ত

অস্থির ডালের বাজার, একটু স্বস্তি চালে

হুমায়ুন মাসুদ, চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৫ ১০:৩৫ এএম

অস্থির ডালের বাজার, একটু স্বস্তি চালে

ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে ডালের বাজার ওঠানামা করলেও কিছুটা স্থির চালের বাজার। অনেকটা নীরবেই পাইকারি ও খুচরা বাজারে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। গত এক মাসের ব্যবধানে মসুর ডালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মাসে যেখানে ছোট দানার এক কেজি মসুর ডাল ১২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, গতকাল শনিবার সেই ডাল বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা দরে। শুধু ছোট দানার মসুর ডালই নয়, বেড়েছে বড় দানার মসুর ডালের দামও। ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময়ে বড় দানার মসুর ডাল কেজিতে বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা। তবে চালের দামে কিছু স্বস্তি ফিরেছে।

পাইকারি বাজারে মসুর ডালের বাজার যখন উর্ধ্বমুখী, তখন ঠিক উল্টো চিত্র চালের বাজারে। গত এক মাসের ব্যবধানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের চালের দাম কেজিতে কমেছে ২ থেকে ৬ টাকা। ৫০ কেজির বস্তায় কমেছে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মাসে গুটি সিদ্ধ চালের ৫০ কেজির বস্তা যেখানে বিক্রি হয়েছিল ২ হাজার ৮০০ টাকায়, বর্তমানে এখন তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৫০ টাকায়। ফলে বস্তাপ্রতি দাম কমেছে অন্তত ২৫০ টাকা, কেজিতে কমেছে ৫ টাকা। ডালের দাম বাড়া প্রসঙ্গে খাতুনগঞ্জের এফএম এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মহিউদ্দিন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, 'চিকন (ছোট দানা) মসুর ডাল আমদানি হয় ভারত থেকে। ও দেশের সরকার শুল্ক বাড়ানোয় ছোটদানার মসুর ডালের দাম বেড়েছে। গত মাসে আমরা পাইকারিতে প্রতি কেজি বিক্রি করেছি ১২৫ টাকায়। গত সপ্তাহে বিক্রি করেছি ১৫৫ টাকায়।' তবে দাম এখন কমতির দিকে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'সব ধরনের ডালের দামই সামান্য বেড়েছিল। তবে এখন কমতে শুরু করেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম আবার কমবে।'

অন্যদিকে চট্টগ্রামের অন্যতম চালের বাজার নগরীর পাহাড়তলী বাজারের বিভিন্ন চালের আড়তে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, চিনিগুড়া ছাড়া এখন বাজারে সব ধরনের চালের দাম নিম্নমুখী। আড়তদাররা বলেন, জিরাশাইল আগে প্রতি বস্তা বিক্রি হতো ৩ হাজার ৯০০ টাকায়, এখন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকায়। নাজিরশাইল ৪ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ৪ হাজার ১৫০ টাকা। বাসমতি চিকন চাল ৩ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকায়। এ ছাড়া মিনিকেট সিদ্ধ চাল বস্তাপ্রতি কমেছে ১০০ টাকা।

কাটারি আতপ ৪ হাজার ৩০০ টাকা থেকে কমে ৪ হাজার ৫০ টাকা, ইরি আতপ ২ হাজার ৩০০ টাকা থেকে কমে ২ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সব ধরনের চালের দাম বস্তা প্রতি কমলেও চিনিগুড়া চালের দাম প্রতি বস্তায় অন্তত ৩০০ টাকা বেড়েছে উল্লেখ করে ব্যবসায়ীরা বলেন, গত মাসে প্রতি বস্তা চিনিগুড়া ৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ৫ হাজার ৮০০ টাকা।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা