মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ২০:২৫ পিএম
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গভীর রাতে কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে ছয়টি গরু চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একসঙ্গে এতগুলো গরু চুরি হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা।
জানা যায়, শনিবার (৪ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার এগারোসিন্দু ইউনিয়নের বাহাদিয়া গ্রামেও এ চুরির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী কৃষক মালিক দ্বীন ইসলাম জানান, শনিবার রাতে গরুকে খাবার দিয়ে ঘুমাতে চলে যান তিনি। দিবাগত রাতে কোনো এক সময়ে আমার একটি দোয়াল গাভীসহ একটি বাছুর, একটি গর্ভবতী গাভী, একটি গাভীর বাছুরÑ মোট ৪টি গরু কে বা কারা রাতের অন্ধকারে চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ (তিন) লাখ টাকা এবং একই বাড়ির মাইন উদ্দিনের একটি গাভী ও একটি বাছুরÑ যার বাজারমূল্য ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা হবে।
এ সময় তারা জানান, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই রাত প্রায় ০৩ ঘটিকার সময় গরু দেখার জন্য উঠি এবং গোয়াল ঘরে যাই। গিয়ে দেখি আমাদের গরুগুলো গোয়াল ঘরে নেই। তখন আমাদের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে লোকজন নিয়ে এলাকায় খোঁজাখোঁজি করি এবং আমাদের বসতঘরে লাগানো সিসি ক্যামেরা পরীক্ষা করে দেখি। কিন্তু সিসি ক্যামেরা মধ্যে চুরের চেহারা চিনিতে পারিনি। এরপর সকালে আশপাশ এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে দুপুরে পাকুন্দিয়া থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেই ’।
এ ঘটনায় চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তারা।এ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধির দাবিও উঠেছে সচেতন মহলে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশকে’ জানান, ভুক্তভোগী কৃষক দুপুরের দিকে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঘটনা জানার পর থেকে চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার ও চোর শনাক্ত করতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।