সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৪৩ পিএম
লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান দানবীর সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের উদ্যোগে সখীপুর উপজেলার কচুয়া-আড়াইপাড়া সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে।
রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ওই সড়কের খানাখন্দে ভরা প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে।
জানা যায়, বর্ষাকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি ভেঙেচুরে শত শত গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভারী যানবাহনসহ হাজার হাজার গাড়ি এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে।
সম্প্রতি রাস্তাটি যানবাহন ও জনগণের চলাচল অনুপ্রযোগী হয়ে পড়েছে। এতে জনগণ অসহনীয় ও চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত এ সড়কের দুর্ভোগের চিত্র নজরে এলো লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের। তিনি তাৎক্ষণিক রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেন।
কালিয়াপাড়া ডাকাতিয়া মাজেদা মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ইয়াসিন আলী জানান, দীর্ঘদিন যাবত এ সড়কের বেহাল দশা চলমান ছিল। জনদুর্ভোগ নিরসনে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল এগিয়ে এসেছেন। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে তাকে ধন্যবাদ জানাই।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ঢাবি শিক্ষার্থী বজলুর রহমান বিজয় জানান, কচুয়া-আড়াইপাড়া সড়কের জনদুর্ভোগের চিত্র লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীরের নজরে আসায় তিনি আমাদের রাস্তার সংস্কার শুরু করেছেন। এতে শিক্ষার্থীসহ সকল জনসাধারণের কষ্ট লাঘব হবে।
কালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ জানান, এ রাস্তায় একবার যাতায়াত করলে কাপড়চোপড় ময়লা পানিতে ভিজে যেত। রাস্তা সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসী অনেক খুশি।
ট্রাকচালক শাহজাহান মিয়া জানান, এ রাস্তায় গাড়ি আটকে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। রাস্তা সংস্কার হওয়ায় আমরা খুব দ্রুত পণ্য বাজারজাত করতে পারব।
অটোচালক মোবারক হোসেন জানান, এ রাস্তায় চলাচল করা খুব কষ্টকর। রাস্তায় যাত্রী নামিয়ে দিয়ে, লোকজন দিয়ে ধাক্কা দিয়ে গাড়ি পারাপার করতে হতো। রাসেল সাহেব আমাদের রাস্তা করে দিচ্ছে। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করি।
লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান দানবীর সালাউদ্দিন আলমগীর বলেন, ‘কচুয়া-আড়াইপাড়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে জনদুর্ভোগের কারণ ছিল। ওই এলাকার মানুষের সেই দুর্ভোগ আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগেই সড়ক সংস্কারের কাজটি শুরু করেছি। সমাজের মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা থেকেই মূলত কাজটি করেছি। লক্ষ্য একটাই- সখীপুরের মানুষ যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে পথ চলতে পারেন।
সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত সখীপুর গড়তে শুধু আমার একার চেষ্টা যথেষ্ট নয়। সবাইকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসতে হবে। পজিটিভ মানসিকতা নিয়ে সবাই একহলে এটা কঠিন কিছু হবে না বলে আমি মনে করি।’