× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাঁকখালী নদীর তীর আবারও দখলে, স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার নিদের্শ

কক্সবাজার প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:১৩ পিএম

বাঁকখালী নদীর তীর আবারও দখলে, স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার নিদের্শ

আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী এলাকায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে দখলমুক্ত জায়গায় পুনঃদখল শুরু করেছে। এই পুনর্নির্মিত অবৈধ উচ্ছেদ করে পুনঃদখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা প্রশাসন।

এ সময় সেখানে অবৈধভাবে পুনর্মর্মিত অর্ধশতাধিক স্থাপনার মালিকদের একদিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাটসংলগ্ন বাঁকখালী নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়েছে।

অভিযান শেষে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর কক্সবাজারের বন্দর কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াকি বলেন, গত ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাটসহ আশপাশের এলাকায় জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ সময় ৫ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অন্তত শতাধিক একর জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু মাস না পেরোতেই দখলমুক্ত জায়গায় অবৈধ দখলদাররা আবারও স্থাপনা পুনর্নির্মাণ শুরু করে। বিষয়টি নজরে আসার পর বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পুনর্নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর বন্দর কর্মকর্তা বলেন, অভিযানে দখলমুক্ত জায়গায় পুনর্নির্মিত অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনার মালিকদের মালামাল সরিয়ে নিতে একদিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আর বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে যেসব অবৈধ দখলদাররা স্থাপনা সরিয়ে নেবে না; তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিগত ২০১৯ সালে বাঁকখালী নদীর সীমানা নির্ধারণে পরিচালিত যৌথ জরিপের আলোকে যেসব সব স্থাপনা অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হবে তা উচ্ছেদ করা হবে তথ্য দিয়ে বন্দর কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াকি বলেন, ‘নদী বন্দর নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জায়গায় গড়ে উঠা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বিআইডব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালাবে। বিগত ২০১৯ সালের যৌথ জরিপের পর যেসব স্থাপনা গড়ে উঠেছে তা অবৈধ এবং এসব স্থাপনা উচ্ছেদে সুপরিকল্পিত অভিযান চালানো হবে।’

প্রসঙ্গত, কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে গত ২৪ আগস্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ওই নির্দেশনার এক সপ্তাহের মধ্যেই গত ২৯ আগস্ট কক্সবাজার সফর করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা। আর তার সফরের দুইদিন পর গত ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাঁকখালী নদীর তীরে গড়ে উঠা নানা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু ওই সময় অবৈধ দখলদারদের বাধার মুখে প্রশাসন অভিযান স্থগিত করে।

আদালতের রায়ে বলা হয়, কক্সবাজার জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদীর বর্তমান প্রবাহ এবং আরএস জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণপূর্বক নদীটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া নদীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা