রাজবাড়ী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫ ১০:০৭ এএম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে গড়াই নদীর পানি হ্রাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের শিকার হয়ে নারুয়া গ্রামের মাছেম শেখ, এরশাদ মন্ডল, মো. ওয়াজেদ আলীর বাড়িসহ অন্তত ১০ বাড়ি সরিয়ে নিতে হয়েছে।
প্রতিকার চেয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে গত ২৯ সেপ্টেম্বর আবেদন জানিয়েছেন নারুয়া গ্রামের শেখ মো. মহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, বালিয়াকান্দির নারুয়া ইউনিয়নের নারুয়া গ্রামে গড়াই নদীর বামতীরে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ফলে গয়াসপুর থেকে সোনাকান্দর খেয়াঘাট পর্যন্ত এলাকার গরীব ও অসহায় জনগোষ্ঠীর বসতবাড়ি, আঙিনা, ফসলি জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ঘরবাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়ছে। নদীর স্রোত এতটাই প্রবল যে, বসতবাড়ির সামনেই নদী এসে পৌঁছেছে। বহু পরিবার ইতোমধ্যে গৃহহীন হয়ে পড়েছে এবং বাকিরা প্রতিনিয়ত ভয়ের মধ্যে দিনযাপন করছে। জরুরি ভিত্তিতে নদী তীর রক্ষায় বালু ভর্তি বস্তা, ব্লক ডাম্পিং, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী।
ভাঙনের শিকার ওয়াজেদ আলী বলেন, গড়াই নদীর তীরে বাড়ি হওয়ায় ভাঙনের শিকার হয়ে ৪-৫ বার বাড়ি সরাতে হয়েছে। দীর্ঘদিন ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে এলেও কোনো ব্যবস্থা হয়নি। আমরা দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, গড়াই নদীর ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ চলমান রয়েছে। গয়াসপুর থেকে সোনাকান্দর খেয়াঘাট এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন। আমরা দ্রুত পরিদর্শন করে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।