× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

রামপালে সুপেয় পানির সংকটে দুর্ভোগ চরমে

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৫ ১১:০০ এএম

রামপালে সুপেয় পানির সংকটে দুর্ভোগ চরমে

জোয়ারের পানিতে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কৈগর্দাসকাটি চর এলাকার ৪৫টি বসতবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন শত-শত মানুষ। সুপেয় পানির সংকটে দুর্ভোগে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। 

জানা গেছে, দূর্গম চরাঞ্চল কৈগর্দাসকাটি এলাকায় ৬-৭ শতাধিক পরিবারের সদস্যরা বসবাস করে আসছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫০টি পরিবারের বাড়িঘরের বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বেড়িবাঁধ না থাকায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় অতিরিক্ত জোয়ারে বাড়িঘর তলিয়ে যায়। এতে ধানচাষ, মাছচাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস করা দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। শিশুদের লেখাপড়া ও স্কুলে যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। রান্না করার চুলা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন তারা।

জোয়ারের পানিতে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ডুবে যাওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে আমন ধানের চারার। সুপেয় পানির কোনো ব্যবস্থা না থাকায় চার কিলোমিটার দূর থেকে হেঁটে খাবার পানি আনতে হয়। কাছাকাছি কোনো টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে। স্কুল অনেক দূরে হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের কষ্ট করে স্কুলে তায়াত করতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে আরো বেশী ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। চলাচলের একমাত্র রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে এলাকার বাসিন্দারা।

কোনো কোনো পরিবারের সদস্যদের রাতে ঘুমানোর জায়গাটুকুও নেই। কিছু শুকনো খাবার আর নদীর জোয়ারের পানি পান করে তাদের দিন কাটছে। এরা সবাই মূলত ভুমিহীন। সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে বসবাস করেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই। খুব মানবেতর দিন কাটছে তাদের।

শরীফা বেগম বলেন, ‘আমার তিনটা সন্তান নিয়ে দুইদিনে একবেলা খাইছি। আর রাত হলে ঘুম পাড়তে পারি না, ভয়ে সারারাত বসে কাটাতে হয়।’

সূত্র জানায়, কতিপয় ভূমিদস‍্যু বিগত সরকারের সময় থেকে প্রভাব খাটিয়ে খাস জমি দখল করে মাছ চাষ করে আসছে। তারা প্লট আকারে বিক্রি করছে দখলে নেওয়া খাস জমি। এভাবে চরভরাটি হাজার হাজার একর জমি প্রভাবশালীরা গিলে ফেলছে প্রশাসনের নজরদারির অভাবে।

ভুক্তভোগীরা ভূমিদস‍্যুদের হাত থেকে রেহাই পেতে এবং জোয়ারের পানিতে যাতে বসতঘর তলিয়ে যাওয়া থেকে পরিত্রানের জন‍্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা