× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

‘পতেঙ্গার আদলে’ কর্ণফুলীর তীরে পর্যটন স্পট

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ ১৬:০৩ পিএম

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ ১৭:৫০ পিএম

সৌন্দর্য বর্ধনের নকশা

সৌন্দর্য বর্ধনের নকশা

কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে সড়কের সৌন্দর্য বাড়ানো হবে। সাড়ে আট কিলোমিটার বাঁধের সড়কে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার অংশে গড়ে তোলা হবে পর্যটন স্পট। নির্মাণ করা হবে ওয়াকওয়ে। রাখা হবে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। প্রকল্পটি নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

সিডিএ’র তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের নকশায় কিছুটা সংশোধনী আনা হয়েছে। কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে নির্মাণাধীন সড়কের মাঝখানে সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি ওয়াকওয়ে ও পর্যটকদের বসার স্থান করা হবে। যা অনেকটা পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের আদলে হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, কালুরঘাট-চাক্তাই বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের শুরুতে ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই হাজার ৩১০ কোটি টাকা। পরবর্তীতে প্রকল্পটি সংশোধন করে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। প্রকল্পের অধীনে কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪ ফুট উঁচু ও ৮০ ফুট প্রশস্ত চার লেনের সড়ক বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ৬৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে প্রকল্প সংশোধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বাকলিয়ায় জনসংখ্যা বেশি। কিন্তু বিনোদনের জায়গা কম। এ সব মাথা রেখে কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে যে সড়কটি নির্মিত হচ্ছে; সেখানে পর্যটনের সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার অংশে এই সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করা হবে।’

সেখানে পরে শিশুদের জন্য বিশেষ বিনোদন ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটকবান্ধব রেস্টুরেন্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিডিএ’র প্রকল্প পরিচালক রাজিব দাশ। তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের অধীনে শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে বলিরহাট পর্যন্ত কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার অংশে সৌন্দর্য বর্ধন করা হবে। পতেঙ্গার আদলে নির্মাণ করা হবে ওয়াকওয়ে ও বসার স্থান। এর মাধ্যমে এই এলাকার পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে। পরবর্তীতে সেখানে শিশুদের জন্য বিশেষ বিনোদন ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটকবান্ধব রেস্টুরেন্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় দেড় শ কোটি টাকা খরচ হবে। এ সব কার্যক্রম শেষ হলে পুরো বাকলিয়া এলাকায় আমূল পরিবর্তন হবে।’

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ‘প্রকল্পটি একনেকে (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) অনুমোদনের পর দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালের অক্টোবরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্প অনুমোদনের পর থেকে বরাদ্দ সংকট, ভূমি অধিগ্রহণ, কোভিড পরিস্থিতিসহ নানা জটিলতায় পুরোদমে নির্মাণকাজ করা যায়নি। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৬৬ শতাংশ ভৌত অবকাঠামোর কাজ শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে বাকলিয়ার বলিরহাট, কল্পলোক এলাকার রাজাখালী খাল ও এর দুটি শাখা খাল, বলিরহাট খাল, ফ’য়স খাল, নোয়াখালী খালসহ দশটির কাজ শেষ পর্যায়ে। এটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। আশা করি এই সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।’

প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরেন সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম নগরীর চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, বক্সিরহাট, বৃহত্তর বাকলিয়া, চান্দগাঁও, কালুরঘাট ভারী শিল্প এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে চার লেনের এই সড়ক বাঁধ নির্মাণ শেষ হলে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে আসা যানবাহনগুলো শহরের মূল সড়ক বাইপাস করে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে পারবে। তখন মূল সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে। নগরবাসী যানজটের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে। এ ছাড়া কর্ণফুলীর নদীর জোয়ার ভাটা নিয়ন্ত্রণে ১২টি রেগুলেটর গেইট বসানো হবে। এসব রেগুলেটর গেইট বন্ধ রাখলে জোয়ারের পানি আর নগরীতে প্রবেশ করতে পারবে না। এটি নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনেও ভূমিকা রাখবে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা