চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:১৬ পিএম
পাইপলাইনে সরবরাহ করা ডিজেল ডিপোতে কম পাওয়ার ঘটনা তদন্তে কাজ শুরু করেছে তদন্ত কমিটি।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রধান কার্যালয় থেকে চিঠি পাওয়ার পর কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করে। এটি কি টেকনিক্যাল ভুল নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে সেটি খতিয়ে দেখছে তদন্ত কমিটি।
ছয় সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান যমুনা অয়েল কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ইঅ্যান্ডডি) মোহাম্মদ আলমগীর আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ‘আমরা চিঠি পাওয়ার পর তদন্ত কাজ শুরু করেছি। এটি টেকনিক্যাল ত্রুটি কি না সেটি জানতে আমরা পাইপলাইন প্রকল্পের ঠিকাদারকে চিঠি দিয়েছি। আগামীকাল ডিপোতে গিয়ে সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করব।’
যুমনা অয়েল সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম-ঢাকা পাইপলাইনে জ্বালানি তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর গত ১৪ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামস্থ টার্মিনাল থেকে যমুনা অয়েল কোম্পানির ডিজেল ফতুল্লায় পাঠানো হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা ডিপোর ২২ ও ২৩ নম্বর ট্যাংকে তেল গ্রহণ করার পর দেখা যায় চট্টগ্রাম থেকে যেই পরিমাণ ডিজেল পাঠানো হয়েছে সেই পরিমাণ ডিজেল ট্যাংকে নেই। সেখানে প্রায় এক লাখ লিটার তেল কম পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর এ ঘটনা তদন্তে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
কমিটির সদস্যরা হলেন- যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ইঅ্যান্ডডি) মোহাম্মদ আলমগীর আলম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ডিপে অপারেশন্স) শেখ জাহিদ আহমেদ, ম্যানেজার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, ম্যানেজার (ডিপো) আসলাম খান আবুল উলায়ী এবং সিপিডিএল ও পিটিসিএল’র একজন করে দুইজন প্রতিনিধি।
এ সম্পর্কে জানতে যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন্স) সৈয়দ শাহীদুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভি করেননি।