× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পশ্চিম সৈয়দপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ নেই , ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:৩৫ পিএম

প্রবা ফটো

প্রবা ফটো

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৭নং সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম সৈয়দপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নেই। চিকিৎসাসেবা নিতে এসে ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে রোগীরা।

ক্লিনিক সূত্র জানায়, গ্রামের দরিদ্র মানুষকে বিনাখরচে চিকিৎসাসেবা দিতে জগন্নাথপুর  উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৮ টি ইউনিয়নে ২৫ টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপিত হয়। এখানে সর্দি, জ্বর, আমাশয়, ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, মাথাব্যথাসহ নানা রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসাসেবা দিতে প্রতিটি ক্লিনিকে একজন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব ক্লিনিকে তিন চার মাসের জন্য প্যারাসিটামল, মেট্রোনিডাজল, অ্যান্টাসিড, হিস্টাসিন, খাওয়ার স্যালাইনসহ ২৭ প্রকারের ওষুধ সরবরাহ করা হয়। তবে কিছু দিন ধরে এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে কোনো ওষুধ সরবরাহ করা হয়নি বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর ) সকালে পশ্চিম সৈয়দপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, ওষুধ সরবরাহ না থাকায় সিএইচসিপি রোগীদের চাহিদামতো সেবা দিতে পারছেন না। ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেক রোগী।

ওষুধ নিতে আসা সৈয়দপুর হাড়িকোনা গ্রামের রোজীনা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাড়ির কাছে ক্লিনিক থাইক্যা লাভ কী হইল? আসলেই খালি ওষুধ নাই, ওষুধ নাই।

লাঠি ভর করে চিকিৎসা নিতে আসা সুজন মিয়া বলেন, ‘পেটের সমস্যা হওয়ায় ওষুধ নিতে আইছিলাম। ওষুধ না থাকায় ফিরে যাচ্ছি।’

গ্রামের সৈয়দ ইনছাব আলী স্ত্রী মোছা: ছফেদুন নেছা বলেন, মাঝে মধ্যে ওষুধ নিতে আসি। আসলেই বলে ওষুধ নাই, শেষ হইয়া গেছে। তাহলে ওষুধ দেয় কারে?

শেফালি বেগম নামের আরেকজন জানান, তিনি ডায়রিয়ার ওষুধ নিতে এসেছিলেন। ওষুধ না থাকায় শুধু খাবার স্যালাইন দেওয়া হয়েছে তাকে।

জানতে চাইলে সৈয়দপুর পশ্চিম কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা সিএইচসিপি মো: মুকিত বলেন, ‘এ ক্লিনিকের আওতায় প্রায় বিশ হাজার মানুষ রয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ৯০/১০০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। ২৭ প্রকারের যে পরিমাণ ওষুধ পাই, তার মধ্যে সিরাপ, চোখের ড্রপ, মলম, ক্যালসিয়াম দেড়-দুই মাসেই শেষ হয়ে যায়। এরপর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে রোগীদের চাহিদামতো ওষুধ বিলি করা যাচ্ছে না। ওষুধ বিতরণের তালিকার ৩, ৬, ১০, ১২, ১৪, ১৮, ২২ ও ২৪ নম্বর সিরিয়ালের ওষুধ নেই। ওষুধের বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হলে এ সমস্যা থাকবে না।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.কৃপেশ রঞ্জন রায় বলেন, ঢাকা CBHC থেকে তিন চার মাস পর পর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। অনেক ক্লিনিকে এ ওষুধ বেশি লাগে কারণ রোগী বেশি আসে, অনেকের কম লাগে, কারণ তাদের রোগী কম আসে। এলাকা ভেদে এটা কম বেশি হয়। তখন নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে যাদের বেশি লাগে না তাদেরটা যাদের বেশি লাগে তাদের দেওয়া হয়। ক্লিনিকের ওষুধ আলাদা প্রতিষ্ঠান থেকে আসে, উপজেলাতে ওষুধ অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আনতে হয়। তবে পশ্চিম সৈয়দপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ সংকটের কথা আমাকে জানানো হয়নি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরবর্তী শিডিউলের ওষুধ এলে এ সংকট থাকবে না বলে তিনি জানান।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা