× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

দাদির দেওয়া জুস খেয়ে নাতির মৃত্যু

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৮:২৫ পিএম

দাদির দেওয়া জুস খেয়ে নাতির মৃত্যু

নাটোরের বড়াইগ্রামে দাদির দেওয়া জুস খেয়ে প্রায় দুই বছর বয়সি নাতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার ইকড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই শিশুর নাম নুর ইসলাম। সে পার্শ্ববর্তী গুরুদাসপুর উপজেলার সোনাবাজু পূর্বপাড়া গ্রামের শাকিল আহম্মেদ ও পায়েল খাতুনের একমাত্র ছেলে।

বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ শিশুটির দাদি সখিনা বেগমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুরহস্য উন্মোচনের চেষ্টা চলছে। জুসের মধ্যে বিষ মিশিয়ে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে এমন আলামত বা প্রমাণ মিললে থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হবে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি গোলাম সারোয়ার হোসেন। 

অভিযুক্ত দাদি সখিনা বেগম গুরুদাসপুরের সোনাবাজু পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর মোতালেবের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে বড়াইগ্রামের রোলভা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে পায়েল খাতুনের সঙ্গে সোনাবাজু গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে শাকিল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূর সঙ্গে কলহবিবাদ চলে আসছিল শাশুড়ি সখিনা বেগমের। প্রায়ই পুত্রবধূকে তিনি মারধরসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতেন।

কয়েক দিন আগে মারধর করলে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চলে যায় শাকিল হোসেন। শিশুটির মা পায়েল খাতুন জানান, গত শনিবার ইকড়ি গ্রামে মামাশ্বশুর শাহাদাত শাহর বাড়িতে বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার শাশুড়িও আসেন। দুপুর ১২টার দিকে ওই বাড়িতেই আমার ছেলেটিকে ঘুম পাড়িয়ে রাখি। দেড়টার দিকে আমার শাশুড়ি আমার ছেলেকে ঘুম থেকে তুলে জুস খাওয়ান। তারপর থেকে সে অসুস্থ হয়ে যায়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আমার ছেলে বিষাক্ত কিছু খেয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই সে মারা যায়।

অভিযুক্ত সখিনা বেগম বলেন, আমার ছেলে কিনে নিয়ে আসা জুস আমি খাওয়াইছি। কীভাবে মারা গেল আমি জানি না। 

ওসি গোলাম সারোয়ার হোসেন আরও বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টসহ শিশুটির পেটের খাবারের রাসায়নিক পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা