× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ওএমএসের উধাও ৭৭ মেট্রিক টন চাল উদ্ধার

মাগুরা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:১৯ পিএম

ওএমএসের উধাও ৭৭ মেট্রিক টন চাল উদ্ধার

মাগুরা মহাম্মদপুরের বিনোদপুর বাজারের একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে টিসিবির জন্য বরাদ্দ  ৭৭ দশমিক ৮৩৫ মেট্রিক টন (১৯০৯ বস্তা) আত্মসাৎকৃত চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। 

এদিকে তদন্ত কমিটি চাল উদ্ধার হয়েছে এটা দাবি করলেও ডিলার উদ্ধার ঘটনা মানতে রাজি নন। গোডাউনে চাল রাখা আছে, এটা কর্মকর্তারা জানতেন এমনই দাবি করছেন ডিলার।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে টিসিবির আত্মসাৎকৃত চালের এ উদ্ধার অভিযানটি।

এর আগে উপকারভোগীরা চাল না পাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ওএমএসের ৭৭ টন চাল উধাও, প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই সংবাদ প্রকাশের পর ১৮ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা ইউএনও তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি অনুসন্ধান করে ওএমএস পরিবেশক হোসেনিয়া কান্তা ঋতুর চাল আত্মসাতে প্রমাণ পাওয়ায় ইতোমধ্যে তার পরিবেশক (ডিলারশিপ) বাতিল করেছেন। 

এছাড়াও আগামী কার্য দিবসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এমনটাই জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা।

চাল উদ্ধার হওয়া গোডাউনের জায়গা ভাড়া দেওয়া আব্দুল কাশেম বলেন, আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানতাম না। তবে ডিলার নূর মোহাম্মদকে আমি চিনি। তিনি আমার কাছ থেকে জায়গা ভাড়া নিয়ে গোডাউন করেছেন।

বিনোদপুর বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, উদ্ধার অভিযানে আশা কর্মকর্তারা আশরাফের গোডাউন বললেও এটা মূলত নূর মোহাম্মদের চাল মজুদেরর গোডাউন। তারা আরও বলেন, চাল আত্মসাতের ঘটনা সংবাদ প্রচার হলে ডিলারের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এই গোডাউনে চার থেকে পাঁচ দিন আগে নূর মোহাম্মদ চাল আনে। জুলাই মাসের চালের বস্তা কিছুটা হলেও পুরাতন হবে। কিন্তু এই চাউলের বস্তা নতুন ছিল।

এ বিষয়ে জানতে ওএমএস পরিবেশক হোসেনিয়া কান্তা ঋতু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী নূর মোহাম্মদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, মহাম্মদপুরের তিনজন ডিলারের চাউল আমার একার নামে ডিও করা হয়েছে, ওই চাউল আমি আমার গোডাউনে রাখি। উদ্ধার অভিযান কথাটি আমি মানতে নারাজ। কারণ এই চাল সম্পর্কে কর্মকর্তারা জানতেন। এই চাল আমি কি করবো, সে বিষয়ে অফিস কোনো সিদ্ধান্ত আমাকে দেয়নি। সে কারণেই সব চাল আমার গুদামে পড়েছিল।

উদ্ধার অভিযানে থাকা তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মজনুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, জুলাই মাসে বরাদ্দকৃত টিসিবির চাল পরিবেশক আত্মসাৎ করলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করে আমরা জানতে পারি ডিলার তার গোডাউনে আত্মসাতকৃত চাল মজুদ করে রেখেছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সকাল আটটা পর্যন্ত এই অভিযানটি পরিচালনা করে আত্মসাৎ কৃত ৭৭ দশমিক ৮৩৫ মেট্রিক টন (১৯০৯ বস্তা) চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এই আত্মসাৎকৃত চালের ব্যাপারে পরিবেশক নূর মোহাম্মদ নিজেই শিকার করেছেন।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা