× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

টি-বাঁধ এখন ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন হুমকিতে

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৬:৩৩ পিএম

প্রবা ফটো।

প্রবা ফটো।

বন্যার আশঙ্কা ও নদী ভাঙনের আতঙ্ক যেন প্রতি বছর নতুন করে ফিরে আসে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে। হঠাৎ করে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির কারণে এবারও ভাঙনের মুখে পড়েছে উপজেলার কালিরকুড়া টি-বাঁধ, ডানতীর রক্ষা প্রকল্প এবং কাঁচকোল এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার ওয়াপদা বাঁধ। টি-বাঁধের দু’ধারে রক্ষা প্রকল্পের পিচিং সংযুক্ত না থাকায় ভাঙন আতঙ্ক বেড়েছে দ্বিগুণ।

এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এখন সরাসরি নদী ভাঙনের কবলে। ফলে, হুমকিতে রয়েছে এলাকার বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি।

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়তে শুরু করে। এর ফলে, চিলমারীর ফকিরেরহাট টি-বাঁধ, ডানতীর রক্ষা প্রকল্প ও কাঁচকোল ওয়াপদা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে রয়েছে কাঁচকোল বাজার, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও আশপাশের কয়েকটি ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম।

সমাজ উন্নয়নকর্মী আমিনুল ইসলাম বলেন, ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের পাড় সংযোগ (পিচিং) সঠিকভাবে টি-বাঁধের সঙ্গে যুক্ত না থাকায় নদীর প্রবাহ বাঁধের পাশকেটে ভাঙন সৃষ্টি করছে।

গত বছরও ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের পিচিংসহ ওয়াপদা বাঁধে কয়েকবার ধস দেখা দেয়। সে সময় পুনোরায় মেরামতের নামে মাত্র কিছু জিও ব্যাগ ফেলানো হয়। জিও ব্যাগ ফেলানোর সময় বরাদ্দের চেয়ে কৌশলগতভাবে কম ফেলানো হয় অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু হানিফ, আ. আজিজ ও হাবিব বলেন, প্রতিবারই কাগজে-কলমে কাজ হয়, বাস্তবে শুধু দায়সারা জিও ব্যাগ ফেলানো হয়। বরাদ্দকৃত পরিমাণের চেয়ে কম কাজ হয়, অথচ বিল নেওয়া হয় পুরোটার।

তারা আরও জানান, মেরামতের স্থানে গভীর পানিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর নামে দেখানো কাজ চালানো হয়, যা কার্যত কোনো ফল দেয় না।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম বলেন, টি-বাঁধ বা ওয়াপদা বাঁধ যদি ভেঙে পড়ে, তাহলে পুরো চিলমারী উপজেলাই পড়বে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে। বিলীন হয়ে যাবে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পও। একটি সমন্বিত পরিকল্পনা ও জরুরি মেরামত কার্যক্রম ছাড়া এ বিপর্যয় রোধ সম্ভব নয়।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেন, আমি সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, পরিস্থিতি আমাদের নজরে রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, আমরা প্রস্তুত রয়েছি। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা