বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:০০ পিএম
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:২৫ পিএম
আধুনিকায়নের চার বছর পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স। গত শুক্রবার থেকে এ জনপ্রিয় প্রেক্ষাগৃহে আর পর্দা উঠেনি। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিনেপ্লেক্সটির স্বত্বাধিকারী আর এম ইউনূস রুবেল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টানা লোকসানের কারণে মধুবন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
রুবেল বলেন, ‘মাসের পর মাস লোকসানে চলছে হলটি। এ সপ্তাহে ‘নন্দিনী’ ছবিটি চালালেও দর্শক পাইনি। প্রতিদিন ছবি চালানোর খরচই ওঠে না। বিদ্যুৎ বিল বাকি, কর্মচারীদের বেতন নিজেদের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। এভাবে আর চালানো সম্ভব নয়।'
তিনি আরও বলেন, তান্ডবের পর আর কোনো ব্যবসা সফল সিনেমা আসেনি। ঈদ ছাড়া দেশীয় ছবি দর্শক টানতে পারছে না। বিদেশি সিনেমা চালাতে পারলে দর্শক আসতো, প্রতিযোগিতায় দেশীয় ছবিও ভালো চলতো। কিন্তু আমদানি বন্ধ থাকায় আমরা টানা লোকসান সামলাতে পারছি না।
৩৩৬ আসনের মধুবন সিনেপ্লেক্স আধুনিকায়নের পর ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’, ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’ ও ‘বরবাদ’-এর মতো জনপ্রিয় ছবি ব্যবসা সফল হয়েছিল। দর্শকের ভিড় সামলাতে সর্বশেষ ‘বরবাদ’ ছবির একাধিক মিডনাইট-শোও চালানো হয় এখানে।
১৯৭৪ সালে শাবানা-ওয়াসিম অভিনীত ইবনে মিজান পরিচালিত ‘ডাকু মনসুর’ সিনেমার মাধ্যমে যাত্রা শুরু হওয়া মধুবনের তখন ধারণক্ষমতা ছিল ১ হাজার। ব্রিটিশ আর্মির অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট এ এম ইউনুস হলটির প্রতিষ্ঠাতা। বাবার সঙ্গে হল ব্যবসা দেখাশোনা করতেন ছেলে আর এম ইউনুস রুবেল। ২০২১ সালের ১৫ অক্টোবর মধুবনকে সিনেপ্লেক্সে রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে মধুবন সিনেপ্লেক্স।