রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৫:৫৪ পিএম
‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা টেকসই রাখতে এখনই প্রয়োজন স্বচ্ছ মূল্যহার, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কাঠামো এবং দক্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন। অন্যথায় আমদানি নির্ভরতা, জ্বালানি ঘাটতি ও মূল্য অস্থিরতা দেশের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’
আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় নগরীর আলোকার মোড়ে অবস্থিত একটি রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-ক্যাব রাজশাহী আয়োজিত ‘ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর ও জ্বালানি রূপান্তর নীতি-২০২৪’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা। এসময় বক্তারা গণমাধ্যমকে ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন,‘জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসচেতনতা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন’
তারা আরও বলেন, একজন মানুষ বছরে রান্নার জন্য অন্তত ৩৫ কেজি এলপিজি এবং ১২০ ইউনিট বিদ্যুতের সুবিধা না পেলে তাকে জ্বালানি দরিদ্র হিসেবে গণ্য করা হয়। জ্বালানি দারিদ্র্য দূর না হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমানের অগ্রগতি সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্যাব যুব সংসদ রাজশাহীর সভাপতি জুলফিকার আলী। প্রধান অতিথি ছিলেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম বলেন, ‘জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। নীতি সহায়তা, ন্যায্য মূল্যহার ও বেসরকারি বিনিয়োগ একসাথে কাজ করলে বাংলাদেশও উন্নত দেশের মতো টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জন করতে পারবে।’
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাব বাংলাদেশের উপদেষ্টা (অভিযোগ) ইঞ্জিনিয়ার খাদেমুল ইসলাম। ক্যাব এর রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুনের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাবের সদস্যবৃন্দ।