বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:০৮ পিএম
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:২৯ পিএম
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে ৭১ জন, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে ৯০ কর্মকর্তা-কর্মচারী গণছুটি নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় দুই উপজেলা কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর এলাকায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে সকল শ্রেণির লোকজনের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। গত দু’দিন রাতে লোডশেডিং বেশি হওয়ায় মানুষের কষ্ট চরমে উঠেছে।
বুড়িচং উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জানান, ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ায় আমাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিকভাবে বসে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর বুড়িচং উপজেলার জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, বুড়িচং অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৭১ জন। এর মধ্যে অফিসিয়ালি ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যায় দুইজন। আর বাকি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণছুটি নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় আমাদের বিদ্যুৎ সরবরাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। তবে যেকোনো সময় বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে। তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমি এখন কাজ করে যাচ্ছি। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নিজ নিজ কর্মস্থলে কেউ যোগ দেয়নি। এতে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে যাচ্ছে; সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছি।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল নয়ন বলেন, একদিকে গরম যেমন তেমনি পল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। এতে মানুষের কষ্ট সব দিক দিয়ে নাজেহাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ফ্রিজে রক্ষিত প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে।
অপর দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জোনাল অফিসের ডিজিএম আব্দুল আজি্জ জানান, মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী সংখ্যা হলো ৯০ জন। গণছুটি নিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত প্রায় সবাই। আমি (ডিজিএম) চালক-১, অফিস সহায়ক-২, সিকিউরিটি গার্ড-২ জন উপস্থিত। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সারাক্ষণ কাজ করে যাচ্ছি। তবে যেকোনো সময় বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে।