নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৫:৩৮ পিএম
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন শ্রমিকরা।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) চেয়ারম্যান ঘাটের বিআইডব্লিউটিএ’র পন্টুনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা নৌপথে চলাচলকারী এসটি সৈবাল সি-ট্রাকের মাস্টার আফজাল হোসেন সব সময় সি-ট্রাকটি পন্টুনের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। এতে পণ্যবাহী নৌকা থেকে মালামাল ওঠানো-নামানোর সময় শ্রমিকদের কাজ ব্যাহত হয়, দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাদের দাবি, সি-ট্রাক যাত্রী ওঠা-নামার সময় পন্টুনে ভিড়বে, বাকি সময়ে নদীতে দূরে নোঙর করবে। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও আফজাল হোসেন নিয়ম মানছেন না।
আলাউদ্দিন, মোহন, আলতাফসহ একাধিক শ্রমিক বলেন, আমরা ২০০-৩০০ শ্রমিক মালামাল বহন করে জীবিকা নির্বাহ করি। সারাদিনে ৪০০-৫০০ টাকা আয় করি কিন্তু একটা দুর্ঘটনা হলে আমাদের হাজার হাজার টাকা শেষ হয়। আমাদের সি-ট্রাকের প্রতি কোনো ক্ষোভ নেই। সমস্যা হচ্ছে মাস্টার আফজালের অনিয়মে। আমরা চাই, শুধু পন্টুনটা খালি রাখা হোক, তাহলে আর কোনো বাধা থাকবে না।
পরে একই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান ঘাটের ইজারাদার আমিনুল ইসলাম মতিন। তিনি বলেন, সি-ট্রাকের নিয়ম হলো যাত্রী নামিয়ে ও উঠিয়ে অলস সময়ে নদীতে নোঙর করে রাখা। আমরা শুধু এই নিয়মের বাস্তবায়ন চাই। সি-ট্রাকের সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই, সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তি আফজাল মাস্টারের কারণে। তিনি নানা মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আফজাল হোসেন বলেন, নদীতে সি-ট্রাক নোঙর করা অনিরাপদ। যাত্রী ও নৌযানের নিরাপত্তার স্বার্থেই আমি সি-ট্রাককে ঘাটের পন্টুনের সঙ্গে রাখি। আমি ইজারাদারকে বলেছি, আমাকে চিঠি দেওয়ার জন্য আমি তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারব । বেশ কয়েকদিন ধরে নদীতে সিগন্যাল চলে তাই নিরাপদ স্থানে সি-ট্রাক রাখাই উত্তম।