কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:০৭ পিএম
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:১৪ পিএম
কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযানের তৃতীয় দিন বন্ধ থাকলেও চতুর্থ দিনে এসে আবারও শুরু করেছে উচ্ছেদ অভিযান। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কস্তুরাঘাটের পশ্চিমে বদর মোকাম অংশে উচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু করেছে প্রশাসন।
সকালেই বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাটে জড়ো হতে থাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। চারপাশে বাঁশ ফেলে দেওয়া ব্যারিকেড, নিয়ন্ত্রণ করা হয় চলাচল। তারপর নদীর বদর মোকাম অংশ শুরু হয় উচ্ছেদ কার্যক্রম। ৩টি এক্সভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া অবৈধ স্থাপনা।
উচ্ছেদ কার্যক্রমের পাশাপাশি সেখানে বসবাসকারিরা বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। পেশকারপাড়া অংশে সকাল থেকে চলছে বিক্ষোভ। সড়কে বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং বাঁশ দিয়ে দেয়া হয়েছে ব্যারিকেড। স্কুল শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শত শত নারী-পুরুষ সড়কে বসে বিক্ষোভ করছেন। তাদের দাবি, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বসতি ছাড়বে না তারা।
বিআইডব্লিউটিএ এর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তৃতীয় দিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা সম্ভব হয়নি। কিন্তু বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনে এসে উচ্ছেদ কার্যক্রম আবারও শুরু হয়েছে। নদীর সকল দখল উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে।
এদিকে, উচ্ছেদের তৃতীয় দিন প্রতিবন্ধকতায় কার্যক্রম পণ্ড হলেও এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ৪ শত জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের কক্সবাজার নৌ বন্দরের পোর্ট কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াকিল বাদি হয়ে বুধবার রাতেই কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস খান এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান ধারায় মামলাটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।