× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অরক্ষিত বাঁধে ভাঙন আতঙ্ক

অরুপ রতন, বগুড়া অফিস

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:২৩ এএম

স্থায়ী সংরক্ষণের অভাবে অরক্ষিত বগুড়ার  সোনাতলা থেকে সারিয়াকান্দি হয়ে ভান্ডারবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি। বুধবার তোলা। -প্রবা ফটো

স্থায়ী সংরক্ষণের অভাবে অরক্ষিত বগুড়ার সোনাতলা থেকে সারিয়াকান্দি হয়ে ভান্ডারবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি। বুধবার তোলা। -প্রবা ফটো

বগুড়ার সোনাতলা থেকে সারিয়াকান্দি হয়ে ভান্ডারবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অনেক বছর ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। প্রতি বর্ষায় এই বাঁধ ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটান পশ্চিমপাড়ের মানুষ।

ষাটের দশকে নির্মিত এই বাঁধ ইতোমধ্যেই বহুবার ভাঙনের শিকার হয়েছে। ভাঙনে লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বাঁধ সংস্কারের জন্য বারবার প্রস্তাব পাঠানো হলেও তা অনুমোদন পাচ্ছে না। ২০১৯ সালে ৮২৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছিল। পরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ফেরত পাঠিয়ে ২০২১ সালে নতুন করে স্টাডি রিপোর্ট দিতে বলে। সেখানে ধুনটের চুনিয়াপাড়ায় একটি স্লুইস গেইট নির্মাণের প্রস্তাব থাকলেও এখন তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দাম বেড়ে যাওয়ায় সোনাতলা থেকে ধুনট পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। এতে সারিয়াকান্দীর রহদহ থেকে দড়িপাড়া পর্যন্ত পাকা সড়ক, ধুনটের কৈয়াগাড়ী, বড়ইতলী, পুকুরিয়া ও ভান্ডারবাড়ী, আর সোনাতলার পাকুল্লা ও তিতপরল এলাকায় মেরামতের কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনও অনুমোদন পায়নি।

সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল গ্রামের সালেক উদ্দিন বলেন, ষাটের দশকে বাঁধ হওয়ার পর যমুনার ভাঙনে অন্তত ৫০ বার পশ্চিমে সরে এসেছে নদী। আমাদের অনেকে ধুনট, শেরপুর, নন্দীগ্রামসহ বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

ধুনটের বৈশাখী গ্রামের ভুলু প্রামাণিক বলেন, বারবার ভাঙনের কবলে পড়ে আমাদের গ্রাম যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। ছয় কিলোমিটার দূরে গিয়ে বসবাস করছি। বড় প্রকল্প না নিলে প্রতি বছরই বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকবে।

চুনিয়াপাড়া গ্রামের ফিরোজ হামিদ বলেন, আগে মানস নদীর মুখে বাঁধে একটি স্লুইস গেইট ছিল। বর্ষায় সেই গেইট খুলে দিলে খাল-বিল পানিতে ভরতো, মাছ আসতো, পলি জমতো। বাঁধের ওপর চাপও কম পড়ত। এই গেইট আবার নির্মাণ করা খুব দরকার।

পাউবো বগুড়ার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, ৪৫ কিমি বাঁধের কিছু কিছু অংশ অরক্ষিত রয়েছে। সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলা নিয়ে নতুন একটি প্রকল্প ইতোমধ্যেই মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কাজ প্রক্রিয়াধীন। প্রকল্প পাস হলেই কাজ শুরু করা হবে। এতে শহড়াবাড়ী ও শিমুলবাড়ী এলাকার কংক্রিট স্পারও মেরামত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা