হিলি ও বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:১৫ পিএম
গ্রামীণ আই অ্যান্ড হেল্থ কেয়ার হাসপাতাল। প্রবা ফটো
দিনাজপুরের বিরামপুরে স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই চলছে দুটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম। এগুলো হলো- বিরামপুর স্কয়ার হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং গ্রামীণ আই অ্যান্ড হেল্থ কেয়ার হাসপাতাল।
স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালাতে ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার সার্টিফিকেট, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদনপত্র বাধ্যতামূলক। তবে এই দুই প্রতিষ্ঠানের কোনোটির কাছেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। কেবল অনলাইনে আবেদনপত্রের কপি টাঙানো হয়েছে।
উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার গ্রামীণ আই অ্যান্ড হেল্থ কেয়ার হাসপাতালে সপ্তাহে একদিন চক্ষু চিকিৎসা দেওয়া হয়। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ঝুলছে চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যানার। তবে সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে গ্রামীণ আই চশমা।
অন্যদিকে পৌর শহরের পল্লবী এলাকায় অবস্থিত বিরামপুর স্কয়ার হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও নেই কোনো অনুমোদনপত্র।
স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামীণ আই এন্ড হেল্থ কেয়ার হাসপাতালের পরিচালক আরিফ জানান, অনুমোদনের জন্য তারা অনলাইনে আবেদন করেছেন।
একইভাবে বিরামপুর স্কয়ার হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার মোফাচ্ছের হোসেন দাবি করেন, হাসপাতাল চালু হয়নি, কেবল ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রয়েছে এবং লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়াধীন।
বিরামপুর উপজেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি ডা. ইমার উদ্দিন কায়েস বলেন, উপজেলায় মোট ১৯টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণ আই এন্ড হেল্থ কেয়ার হাসপাতাল এবং বিরামপুর স্কয়ার হসপিটালের তেমন কোনো অনুমোদন নেই। দ্রুত তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে বলা হবে।
বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান বলেন, অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওনও জানান, গত জুলাইয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছিল। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিগগিরই আবারও অভিযানের মুখোমুখি হতে হবে।