নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৫৪ পিএম
নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী থানা থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট লুট হওয়া ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র এক বছর পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি। এ নিয়ে জনমনে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোনাইমুড়ী থানায় হামলার সময় লুট করা হয় ৫৮টি অস্ত্র ও চার হাজার ৭০৯ রাউন্ড গুলি। এর মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৪৫টি অস্ত্র ও দুই হাজার ৫০ রাউন্ড গুলি। লুট হওয়া সাতটি গ্যাসগানই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও উদ্ধার করা যায়নি ১৩টি অস্ত্র। এর মধ্যে চারটি চায়না রাইফেল, একটি এসএমজি, তিনটি পিস্তল ও পাঁচটি শর্টগান।
অন্যদিকে চাটখিল থানায় লুট হয় ৫৮টি আগ্নেয়াস্ত্র ও পাঁচ হাজার ৪৯৩ রাউন্ড গুলি। উদ্ধার হয়েছে ৫১টি অস্ত্র ও তিন হাজার তিন রাউন্ড গুলি। লুট হওয়া ছয়টি গ্যাসগানের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে চারটি। এখনও উদ্ধার করা যায়নি সাতটি অস্ত্র। এর মধ্যে তিনটি চায়না রাইফেল, একটি পিস্তল ও তিনটি শর্টগান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, থানার লুট হওয়া অস্ত্রগুলো ব্যবহার করে বিভিন্ন উপজেলায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। তারা দাবি করেন, শুধু লুট হওয়া অস্ত্র নয়, সব ধরনের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন,
চাটখিল ও সোনাইমুড়ী থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে সাতটি চায়না রাইফেল, একটি এসএমজি, চারটি পিস্তল, আটটি শর্টগান ও দুটি গ্যাসগান। আমরা এসব অস্ত্রসহ অন্যান্য অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব, সব অস্ত্র উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ফিরিয়ে আনা, যাতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।