নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৪৫ পিএম
মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশে সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক সাড়া পড়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) জনস্বার্থে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। সেই আলোচনার প্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার (২৬আগস্ট) উপজেলার নাসিরাবাদ বালুমহালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে চুক্তিপত্রের বাইরে অতিরিক্ত একটি ড্রেজার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। ড্রেজারটি সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ইজারাগ্রহীতাকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ বিন মনসুর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও আনসার বাহিনী।
এর আগে প্রতিদিনের বাংলাদেশে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছিল, নাসিরাবাদ বালুমহালের নামে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে চরলাপাং, মানিকনগর, সাহেবনগরসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শত শত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ ব্যাহত হয়ে ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকিও বেড়েছে।
এদিকে সংবাদ প্রকাশ ও লিগ্যাল নোটিশের পর প্রশাসনের এই অভিযান নিয়ে শুরু হয়েছে নানা কানাঘুষা। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজরে থাকা এ অবৈধ ড্রেজারগুলো চললেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা বলছেন, এত বড় ঘটনা প্রশাসনের সামনে থাকলেও তারা দেখেও না দেখার ভান করেছিল।