ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:১৬ পিএম
প্রতীকী ছবি
ভৈরবে মানিক মিয়া (৫০) নামে কাতার প্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টায় পৌর শহরের দড়ি চণ্ডিবের এলাকার বিল থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার পকেটে মোবাইল ও কাতারের একটি কার্ড পাওয়া যায়। এতে বুঝা যায় নিহতের বাড়ি উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের বড় রাজাকাটা গ্রামে। তার পিতার নাম মো. কাদির মিয়া।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৫ আগস্ট) সকালে দড়ি চণ্ডিবের শামসু মিয়ার বাড়ির পেছনে একটি বিলে মরদেহ দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দেই। খবর পেয়ে থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে নিহতের শ্যালক আয়তুল খাঁ মুঠোফোনে বলেন, আমাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে। ১০ বছর আগে আমার বোন স্বর্ণার সাথে পারিবারিকভাবে মানিক মিয়ার বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ১ ছেলে ২ মেয়ে রয়েছে। ৪ দিন আগে আমার বোন অষ্টগ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। আমি কাজের সুবাদে সিলেটে রয়েছি। পুলিশের মাধ্যমে জানতে পেরেছি বোনজামাইর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমি পরিবারকে জানিয়েছি তারাও থানায় যাচ্ছে। আমিও সিলেট থেকে ভৈরব আসছি।
এ বিষয়ে ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী বলেন, মানিক মিয়ার পকেট থেকে পাওয়া মোবাইল ও কার্ডের তথ্য থেকে পাওয়া যায় সে একজন কাতার প্রবাসী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মানিক মিয়াকে ২ দিন আগে হত্যা করে এখানে ফেলে রেখে যায় কে বা কারা। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।