× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিমের চাল বিক্রির অভিযোগ

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১৩:১১ পিএম

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১৪:০৬ পিএম

শিক্ষকের বিরুদ্ধে এতিমের চাল বিক্রির অভিযোগ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে রনচন্ডী বাবুর বাজার নূরানী হাফেজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসায় এতিম ও দুস্থ শিশুদের জিআর খয়রাতি চাল বরাদ্দ নেওয়ার পর সেটি বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে রেজাউল করিম নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এতিম ও দুস্থ শিশুদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে জিআর খয়রাতি চার বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে রনচন্ডী বাবুর বাজার নূরানী হাফেজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসা এক মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পায়। তবে বরাদ্দ পেলে সেটি এতিম শিক্ষার্থীদের না খাইয়ে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ডিলারের কাছে গোপনে বিক্রি করেছেন প্রতিষ্ঠানের মোহতামিম হাফেজ রেজাউল করিম। এ ঘটনায় এতিমখানার অন্যান্য শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহায়ক লিটনের সহায়তায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এতিমের বরাদ্দের এ চাল বিক্রি করেন ওই শিক্ষক। 

মাদ্রাসার নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এতিম শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের মাদ্রাসায় খাওয়ার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি গ্রামের ভেতরে হওয়ায় আমরা সবাই এলাকাবাসীর বাড়িতে তিনবেলা খাই। মাদ্রাসায় কখনো একসঙ্গে হুজুর অনেক চাল নিয়ে আসেনি আমরা কেউ দেখিনি। 

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, একজন শিক্ষক হয়ে এতিমের চাল তাদের না খাইয়ে সেটি বিক্রি করে তিনি কি করেছেন আমাদের সেটা জানা নাই। তবে, যে বরাদ্দ সরকারিভাবে এতিম শিক্ষার্থীদের খাওয়ার জন্য দিয়েছে তিনি সেটা তাদের না খাইয়ে টাকা তুলে থাকলে সেটা অন্যায় করেছেন। 

এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রনচন্ডী বাবুর বাজার নূরানী হাফেজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসার মোহতারিম হাফেজ রেজাউল করিম বলেন, আমার মাদ্রাসায় এক টন চালের বরাদ্দ এসেছিল আমি সেটি ৪০ হাজার টাকায় উপজেলার ডালিম নামে এক চালের ডিলারের কাছে বিক্রি করে মাদ্রাসার কাজ করেছি। আমার মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং নেই এজন্য সেটা বিক্রি করেছি। আমি আপনার সঙ্গে এ বিষয়ে বেশি কথা বলতে চাই না। 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) লতিফুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা