গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৫ ১৭:৩৬ পিএম
আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৫ ১৭:৪১ পিএম
‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশী মাছে দেশ ভরি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সারা দেশের মতো পটুয়াখালীর গলাচিপায়ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা কমপ্লেক্সের দিঘিতে মাছ অবমুক্তকরণের মাধ্যমে সপ্তাহ উদ্বোধন করেন অতিথিরা।
পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে সফল তিন মৎস্যচাষীর হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পরে জেলেদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএনও মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. খালিদ হোসেন মিল্টন, গণ-অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব মো. জাকির মুন্সি, পৌর মৎস্যদল সভাপতি মো. জাকির মৃধা ও ইসলামী আন্দোলন গলাচিপা পৌর শাখার সভাপতি মো. নাজমুল হুদা রিপন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবদুর রহমান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন উপ-সহকারী প্রকৌশলী এম এম আসাদুজ্জামান আরিফ, মেরিন ফিসারিজ অফিসার মাহমুদুল হাসান ও উপজেলা তথ্য আপা ইসমত আরা।
সভায় সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী বলেন, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে চীনের পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মাছ আমাদের জাতীয় সম্পদ, এ সম্পদ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রধান অতিথি ইউএনও মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রাকৃতিকভাবে দক্ষিণাঞ্চলে প্রচুর সামুদ্রিক মাছ আহরণ হলেও কৃত্রিমভাবে মাছ চাষ আশানুরূপ নয়। খাল-বিল ও জলাশয় কাজে লাগাতে পারলে উৎপাদন বাড়বে, দেশের জিডিপিও বৃদ্ধি পাবে। তিনি অবৈধভাবে মাছ আহরণ ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন।