জয়পুরহাট প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৫ ২১:২৯ পিএম
জয়পুরহাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় সাতজন আহত হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের উপপরিদর্শক আরিফও রয়েছেন।
আহতরা হলেনÑ ছাত্রদল নেতা তামিম (২২), আরিফুল ইসলাম (২৫), শাহরিয়ার কবির (২৩), রাফি (২৬), সোয়ায়েব হোসেন (২৪), সোহান কবির (২৮)। তারা সবাই জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি।
প্রকাশ, ১৫ আগষ্ট ছাত্রদলের কাউন্সিল ছিল। কাউন্সিলকে ঘিরে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ৬ জন সহকারি নির্বাচন কমিশনারকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দেওয়া দেওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের 'টিম-১৬' কে। প্রথমে ৫৪৬ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে ছাত্রদলের কয়েকজনের নাম না থাকার অভিযোগ তোলা হয়। পরে সেটি সংশোধন করে ৫৫৩ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এক পক্ষের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট পক্ষকে সুবিধা দিতে কাউন্সিলের আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের কলেজ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর চৌধুরী ও আহাদ হোসেনের নেতৃত্বে কলেজ ছাত্রদলের একটি পক্ষ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে কলেজে অবস্থান নেয়। তারা কাউকে কাউন্সিলে প্রবেশ করতে দেবে না বলে জানিয়ে লাঠি-সোঁটা নিয়ে আসে। এসময় তারা ‘অবৈধ কাউন্সিল, মানি না- মানবো না’, বলে স্লোগান দেয়। এই কাউন্সিল ঘিরে কলেজ এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। একটি পক্ষ কলেজে অবস্থান নেওয়ায় ৩টায় কাউন্সিল করতে পারেনি কেন্দ্রীয় নেতারা। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আরেক পক্ষ কলেজ ছাত্রদলের নেতা হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি মিছিল নিয়ে কলেজ ফটকের দিকে যায়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হলে কয়েকজন আহত হয়।
জয়পুরহাট থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনায় একজন পুলিশ আহত হয়েছেন। এছাড়া ছাত্রদলের কয়েকজন আহত হয়েছে। তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।