নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৫ ১৯:০৩ পিএম
আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৫ ১৯:০৫ পিএম
‘শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে না গেলে, আমাকে হয়তো এতদিনে মাটির নিচে কিংবা আয়নাঘরে থাকতে হতো। গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে বলেই আমি আজ আপনাদের সামনে এসে কথা বলতে পারছি।’
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় নদী ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।
আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, আমি আপনাদের সন্তান, আমি আপনাদের কাছে কখনও ভোট চাইতে আসব না। আপনারা যদি আমার থেকে যোগ্য কাউকে পান, তবে তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আমি চাই অবহেলিত এই হাতিয়া দ্বীপের উন্নয়ন হোক। যিনি হাতিয়া দ্বীপের উন্নতি করতে পারবেন, আপনারা তাকেই ভোট দিয়ে জয়ী করবেন।
হাতিয়ার মানুষকে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, বিএনপি-জামায়াত কিংবা এনসিপিÑ যেই দলেরই হোন না কেন, যদি নিজেদের মধ্যে মারামারি করেন, অরাজকতা করেন, তবে সারা দেশের মানুষ আমাদের খারাপ ভাববে।
নিজেকে সরকারি পদ-পদবির বাইরের একজন সাধারণ প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি সরকারের কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা নই। আমার বিশেষ কোনো ক্ষমতাও নেই। তবে আপনাদের সুখ-দুঃখ যারা সরকারে আছেন, তাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। বিভিন্ন প্রকল্প আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
নদীভাঙনের বিষয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার নিজের চাচা-খালারাও বহুবার নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়েছেন। আমি জানি নদীভাঙনের কষ্ট কী।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেনÑ জাতীয় নাগরিক পার্টির নোয়াখালী জেলার সংগঠক কাজী তানভীর, ইয়াছিন আরাফাত, মেহেদী হাসান সীমান্ত, হাতিয়া উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী সামছল তিব্রিজ, ইউসুফ রেজাসহ অন্য নেতারা।